
প্রকাশিত, ১৩-১২-২০২০
হানিফ খান স্টাফ রিপোর্টার ঃ
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় চরআলগী ইউনিয়ন ও সালটিয়া ইউনিয়নের ৭ জনকাছ থেকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে ১৪ লক্ষ টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে, বিদেশি দুলালের নামে।
।
ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে পাঠানোর গফরগাঁও উপজেলার ৭ ব্যক্তির কাছ থেকে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা সর্বস্ব হারিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে এখন বিপাকে পড়েছেন।
প্রতারণার শিকার ওই ৭ ব্যক্তি হলেন গফরগাঁও উপজেলার রৌহা ও চর মসলন্দ রামের গ্রামের আলম, জাকিরুল, বাবুল, মোফাজ্জল, জহিরুল, ইসমাইল, সিদ্দিক ।
এলাকায় একাধিকবার গ্রাম্য সালিস হলেও কোনো সুরাহা হয়নি
। পরে পাওনা টাকা ফেরত পেতে ভুক্তভোগীরা সম্প্রতি গফরগাঁও থানায়, মোহাম্মদ দুলাল, পিতা, আজিজুর রহমান, গ্রাম কুসুম মহল শাহ বন্দর, মৌলভীবাজার, এই ঠিকানা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভালো বেতনের চাকরি ও সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে সৌদি আরবে পাঠানোর কথা বলে মোহাম্মদ দুলাল ওই ৭জনের কাছ থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে – এপ্রিল পর্যন্ত কয়েক কিস্তিতে ১৪ লাখ টাকা নেন। এর মধ্যে মোবাইলে বিকাশে নিয়েছে মোট ৩ লাখ টাকা, বাড়িতে এসে হ্যান্ড ক্যাশে হাতিয়ে নিয়েছে ১১লাখ টাকা।
সৌদি আরব যেতে ৫ লাখ টাকা করে দেওয়া লাগবে বলে নগর 2 লক্ষ টাকা করে নিয়েছে।
যাওয়ার পর তাঁদের প্রত্যেককে আরও ৩ লক্ষ করে টাকা দেওয়া লাগবে বলে জানান, ভুক্তভোগী, সিদ্দিক, বাবুল, মোফাজ্জল গং রা।
আদম বেপারী, প্রতারক দুলাল, অতি কৌশলে বিদেশ যাত্রী, সিদ্দিকসহ সাতজনকে সাতটি ভুয়া ভিসা হাতে ধরিয়ে ১৪ লাখ টাকা নিয়ে উধাও। বর্তমানে মোবাইল বন্ধ তারও কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। যে অফিসের নামে ঠিকানা দেওয়া হয় ভুক্তভোগীরা সে অফিসে গিয়ে জানতে পারে তাদের নামে কোনো কাগজপত্র পাসপোর্ট জমা দেয়নি। পরে তাঁরা ভিসা পরীক্ষা করে দেখেন সেটি জাল (নকল) ভিসা। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভুক্তভোগীরা তাঁদের টাকা ফেরত চান। এর পর থেকে
তাঁদের বিদেশে পাঠানোর কথা বলে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। এ নিয়ে গ্রামে একাধিকবার সালিসও হয়, সিদ্দিক বাবুল অভিযোগ করে বলেন, বিদেশে যাওয়ার জন্য জমি বিক্রি ও বন্ধক রেখে এবং এনজিও থেকে সুদে টাকা নিয়ে তাঁরা দুই ভাই ৩ লাখ টাকা দিয়েছেন। এখন সুদের টাকা পরিশোধ করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সংসারের খরচ মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। দুলাল মিয়া বিদেশে পাঠানোর কথা বলে টাকা আত্মসাতের বিষয়ে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয়েছে। সুরাহা না হওয়ায় তাঁরা মৌলভীবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এব্যাপারে “দেশ সময় নিউজ” দুলালের মুঠোফোনে ফোন দিলে তার ফোন সুইচ অফ বলে জানা যায়।
ভুক্তভোগী অসহায় পরিবারগুলো মানবতার জীবন যাপন করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন,এই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের টাকা উদ্ধারের দাবি জানান।


