
প্রকাশিত,১৭, মার্চ,২০২৩
স্টাফ রিপোর্টার:
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মঈনুল হাসান নাহিদ ও বাসাইল ইউপি চেয়ারম্যান ছাইফুল ইসলাম যুবরাজকে অতিথি করাকে কেন্দ্র করে হামলা চালিয়ে অনুষ্ঠান পন্ড করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রলীগে সভাপতি আরিয়ান আব্দুল্লাহ অনিকের বিরুদ্ধে।
এছাড়া বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে হামলায় বাধা দেওয়া ও বাকবিতন্ডায় জেরে ছাত্রলীগ সভাপতির আরিয়ান আব্দুল্লাহ গ্রুপের সেলিম ও শাহাবুদ্দিন নামে দুই যুবক কর্তৃক দ্বিতীয় দফায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মঈনুল হাসান নাহিদের উপর হামলার চালায় মর্মে অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় দিকে উপজেলার নিমতলা শাহাবুদ্দিন প্লাজার নিচ তলায় ভাইস চেয়ারম্যান মঈনুল হাসান নাহিদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তার ব্যক্তিগত সহকারী ইমরান শেখ(৩০) ও শহিদুল (৩২) নামে এক কর্মী আহত গুরুত্বর আহত হয়েছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে প্রথম দফায় বাসাইল ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটে। উপজেলন পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মঈনুল হাসান নাহিদ বলেন, বাসাইল ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আমি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলাম। অনুষ্ঠান চলাকালে সিরাজদিখান উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিয়ান আব্দুল্লাহ অনিক দলবল নিয়ে এসে বিদ্যালয়ের সভাপতি বাবু সরকারের উপর হামলা করে। সেখানে আমি তাদেরকে শান্ত করে দিতে গেলে আমার সাথে তাদের বাক-বিতন্ডা হয়। পরবর্তীতে সেখান থেকে আমার ব্যক্তিগত অফিস নিমতলা শাহাবুদ্দিন প্লাজার সামনে আসলে সেলিম ও শাহাবুদ্দিন লোকজন নিয়ে এসে অতর্কিত হামলা করে। এতে আমার সাথে থাকা ৪-৫ জন আহত হয় তার মধ্যে ইমরান ও শহীদুলের অবস্থা গুরুতদর।বাসাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আতিকুর রহমান বাবু ও প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল জলিল জানান, ভাইস চেয়ারম্যান নাহিদ ও বাসাইল বাসাইল ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম যুবরাজকে বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে দাওয়াত করায় থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিয়ান আব্দুল্লাহ অনিকের নেতৃত্বে অনুষ্ঠানে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় ।
এ ব্যপারে অভিযুক্ত সিরাজদিখান উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিয়ান আব্দুল্লাহ অনিকের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন ও এসএমএস করে তার সাড়া পাওয়া যায় নি। সিরাজিদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম মিজানুল হক বলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের অনুসারীদের সাথে সেলিম গ্রুপের কয়েকজনের সাথে মারামারি হয়। মারামারীর মূল কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। এ বিষয়ে এখনও কেউ থানায় কোন ধরনের অভিযোগও করেনি। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগের পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজাদ নাদভী
তারিখঃ ১৭-০৩-২০২৩ইং।


