print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৩, ডিসেম্বর,২০২২

ওবাইদুর রহমান /টেকনাফ

টেকনাফ সাবরাং এলাকায় পাশের বাড়ির চাচাত ভাই ও তার বৌউয়ের সঙ্গে ঝগড়া চলছিল।তা দেখতে গিয়ে জিয়াউর রহমান(৩২)নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়েছে।সে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওর্য়াড খুরেরমুখ এলাকার বাসিন্দা ফরিদ আহমদের ছেলে এবং নৌকার মাঝি ছিলেন।
সোমবার বিকেল তিনটার দিকে আহত যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে।
এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মোঃ আব্দুল হালিম।
জেঠা হাচু মিয়ার ছেলে নাজির হোসেন প্রকাশ নাজু বিয়ে করেন সাবরাং সিকদারপাড়া এলাকা থেকে।
নিহতের পরিবার সূত্র জানায়,গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহতের বড় চাচা(জেঠা)হাসু মিয়ার ছেলে নাজির হোসেন ওরফে নাজুর বৌয়ের সঙ্গে তার ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি হয়।এ খবর নাজুর বৌ সিকদারপাড়ার বাবার বাড়িতে ফোন করে জানালে সেখান থেকে কয়েকজন নারী-পুরুষ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুঁটে আসেন।এসময় পাশের বাড়িতে ঝগড়া বিবাদ হচ্ছে শুনে দেখতে যান সাবরাং খুরেরমুখ এলাকার ফরিদ আহমদের ছেলে জিয়াউর রহমান।ওই সময় শশুড় বাড়ির লোকজন ও নাজির হোসেন ওরফে নাজু সহ তার বাবা হাসু মিয়াকে মারধর করেন।এর প্রতিবাদ করায় কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই সাবরাং ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ডের সিকদারপাড়া এলাকার আলি আহমদের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল ধারালো ছুরিকাঘাত করেন জিয়াউর রহমানকে।সঙ্গে সঙ্গে সে মাটিতে পড়ে যান এবং পালিয়ে যান ছুরিকাঘাতকারি ইসমাইল।পরে আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন জিয়াউর রহমানকে উদ্ধার করে টেকনাফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
সোমবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত যুবক মারা যান।লাশটি ময়নাতদন্ত শেষে টেকনাফ নিয়ে আসা হবে এবং এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষথেকে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
সাবরাং ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সিদ্দিক আহমদ বলেন,পাশের বাড়ি(চাচার বাড়িতে)ছেলে ও ছেলের বৌয়ের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হচ্ছে দেখতে এসে ছুরিকাঘাতে জিয়াউরের মৃত্যু হয়েছে।লাশ এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম রয়েছে।ময়নাতদন্ত শেষে টেকনাফ নিয়ে আসা হবে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো আব্দুল হালিম বলেন,নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে।লাশ নিয়ে আসার পর মামলা রুজু করা হবে।তবে পুলিশ অভিযুক্তদের আটক করার জন্য অভিযান চলাচ্ছে।