print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৪, অক্টোবর,২০২২

জয়পুরহাট প্রতিনিধি ঃ

জয়পুরহাটের কালাইয়ে ভোটার আইডিকার্ড সংশোধনের প্রয়োজনে এক নারী উপজেলা ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) এর উদ্যোক্তা মামুনুর রশীদের কাছে গেলে বিভিন্ন হয়রানির এক পর্যায়ে ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

প্রায় ৬ মাস পূর্বে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের প্রয়োজনে ভুক্তভোগী ওই নারীর সাথে মামুনুর রশীদের পরিচয় হলে সংশোধন করে না দিয়ে ঘুরাইতে থাকার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ভালবাসার সম্পর্ক হয় এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার অফিসে ডেকে নিয়ে মাঝে মধ্যেই ইচ্ছার বিরুদ্ধে দৈহিক মিলন করতো ।

গত ১০ অক্টোবর সংশোধন হয়েছে বলে মামুনুর রশীদ একটি ভোটার আইডি কার্ড ওই নারীকে দিলে সেটি নিয়ে সিম কার্ড ক্রয় করতে গিয়ে জানতে পারে তাকে ভূয়া কার্ড দেওয়া হয়েছে। পরদিন অফিসে গিয়ে জানতে চাইলে মামুনুর রশীদ তার সাথে আবারো দৈহিক মিলন করতে চাইলে রাজি না হওয়ায় মারপিট করার জন্য উদ্ধত হয় মামুনুর রশীদ।

ভোক্তভোগী মোছাঃ রুমা খাতু ও তার বাবা মোঃ তছলিম উদ্দীন ফকির, মা মজিদা বেগম।
অপমান সহ্য করতে না পেরে ওই নারী কালাই বাজারের একটি ফার্মেসি থেকে ঘুমের ট্যাবলেট সংগ্রহ করে উপজেলা পরিষদের বারান্দায় গিয়ে খেয়ে ফেলে এবং অসুস্থ হয়ে পড়লে উক্ত অফিসের লোকজন তাকে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়ে দেয়। এ বিষয়ে কালাই উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস (সহকারী কমিশনার ভূমি)কর্মকর্তা বলেন.
এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবা ১২ অক্টোবর কালাই থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ ওইদিন রাতেই মামুনুর রশীদকে গ্রেফতার করে।

অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কালাই থানা এস এম মঈনউদ্দীন বলেন থানায় মামলা হয়েছে আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী রুমা খাতুন বর্তমানে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দুশ্চরিত্র মামুনুর রশীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যাবস্থা করা হোক এমনই দাবী ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিবারের।

মোঃ নেওয়াজ মোর্শেদ নোমান
জয়পুরহাট