print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,০৭, সেপ্টেম্বর,২০২২

মোঃ বাবুল নেত্রকোণা থেকেঃ

নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার মানিকদির গ্রামের আব্দুল আজিজ(৫৫) নামে পিতাকে চাইনিজ কুড়াল দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে অবাধ্য ছেলে বিপ্লবের হাতে খুন হন।
জানা যায়,আব্দুল আজিজ শ্যামগঞ্জ বাজারে আব্দুল আজিজ ট্রেডার্স নামক পোল্ট্রি ফিডের দোকান রয়েছে।
অবাধ্য ছেলের চাল-চলন ভাল না দেখায় প্রায়শই বাবা আব্দুল আজিজ ছেলে বিপ্লবকে সংঙ্গে নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতো।

বাবার এহেন কান্ডে ছেলে খুবই বিরক্তবোধ করতো।
খুনের ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ৯ টার দিকে বাবা আব্দুল আজিজ ছেলে বিপ্লবকে সংঙ্গে নিয়ে শ্যামগঞ্জ বাজারে পোল্ট্রি ফিডের দোকান করে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বাড়িতে ফিরেন।
পিতা-পূত্র বাড়িতে এসে বাবা আব্দুল আজিজ ফ্রেশ হওয়ার জন্য বাথরুমে যান।
বাবা আব্দুল আজিজ বাথরুম থেকে এসে দেখে ছেলে বিপ্লব বাসায় নেই।

ছেলের খুঁজে বাবা বিপ্লবের ফোনে কল দিলে অপর প্রান্ত থেকে ফোন-আলাপ হয় ছেলে বিপ্লব শ্যামগঞ্জ বাজারের পার্শ্ববর্তী শ্মশান ঘাটে আছে বলে জানায়,ছেলের কথা মতো সহজ-সরল পিতা আব্দুল আজিজ সেখানে পৌঁছে। কিছুক্ষণ পর বিপ্লব তার ভগ্নিপতিকে ফোন দিয়ে জানায় তার বাবাকে কারা যেন এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।
এ কথা শুনে ভগ্নিপতি ঘটনাস্থলে এসে শশুরকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে নিহতের স্ত্রী বকুল আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিবাদী করে পূর্বধলা থানায় মামলা করেন।
তবে পুলিশ কিন্তু ছাড়ার পাত্র না নেত্রকোণা জেলার দক্ষ পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ কড়া নির্দেশ দেন যেভাবেই হোক এই মৃত্যুর রহস্য বের করতে হবে।

জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ-এর দিক-নির্দেশনায় মাঠে নামে একদল চৌকস পুলিশ টিম।
অন্যদিকে পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং সন্দেহের তীর ছেলে বিপ্লবের দিকেই যাচ্ছে।
ছেলে বিপ্লবকে পুলিশ রাখছে সু-নজরে।
বিপ্লবের চাল-চলন এবং কথাবার্তা সমুচিত মনে না হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিপ্লব কে থানায় নিয়ে আসে এবং আসল রহস্য উৎঘাটন করে। ১৬৪ ধারা জবানবন্দি মোতাবেক নিহতের ছেলে বিপ্লব জানান,বাবা আমাকে সবসময়ই শাসনে রাখতো যা আমার বিরক্তবোধ তাই বন্ধুদের পরামর্শ ক্রমেই ১৫০০ টাকা দোকান থেকে নিয়ে দুইটা চাইনিজ কুড়াল আনার জন্য বন্ধুদের টাকা দেই এবং আমার সামনেই আমার বাবাকে আমার বন্ধুরা কুপিয়ে জখম করে খুন করে।

এ প্রসংঙ্গে নেত্রকোণা জেলার সুযোগ্য এসপি ফয়েজ আহমেদ বলেন,অতিদ্রুত খুনের রহস্য বের করতে আমি সহ আমার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে খুনের রহস্য বের করতে পেরেছি।