print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত, ০৮-১১-২২০
আকাশ মার্মা মংসিং বান্দরবানঃ

রবিবার ৮,নভেম্বর সকালে বান্দরবানের সুয়ালক ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়ায় চা বোর্ডের আঞ্চলিক অফিস পরিদর্শন ও চা বোর্ড এর বাস্তবায়নাধীন “এক্সটেনশন অব স্মল হোল্ডিং টি কাল্টিভেশন ইন চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস ” প্রকল্পের আওতায় চা কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, বান্দরবানের উৎপাদিত চা পাতার মান খুবই ভালো এবং এই সবুজ চাপাতা মেশিনে পক্রিয়াজতকরণের মাধ্যমে চাপাতা তৈরির জন্য বান্দরবানে ২০১৯ সাল থেকে চা কারখানা শুরু করা হয়েছে এবং পুরোদমে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে চাপাতা উৎপাদিত হলে বান্দরবানে চা চাষীদের জীবনমানের পরির্বতন হবে এবং বান্দরবান থেকে চাপাতা পক্রিয়াজাত করে দেশ বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। চা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরো বলেন,এখনোও বান্দরবানে চা চাষে পর্যাপ্ত সফলতা আসেনি তবে আগের চেয়ে অনেক চাষীই এখন বান্দরবানে চা চাষ শুরু করেছে ।

চা নার্সারী ও চা কারখানা পরিদর্শনে এসময় বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো.জহিরুল ইসলাম (এনডিসি ,পিএসসি),বাংলাদেশ চা বোর্ডের বান্দরবান আঞ্চলিক অফিস এর প্রকল্প পরিচালক সুমন সিকদার,সি এইচটি প্রকল্পের সিনিয়র টি মেকার মো:আমীর আলী,বান্দরবান প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিনারুল হকসহ বান্দরবান চা বোর্ডের আঞ্চলিক অফিস এর কর্মকর্তা ও চা বাগানের মালিক এবং চাষীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত,২০০৪ সাল থেকে বান্দরবানে চা চারা উৎপাদন ও চাষ শুরু হয় এবং ২০১৯ সালের ১লা অক্টোবর বান্দরবানের চা চাষীদের সুবিধার জন্য বান্দরবানের সুয়ালক ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়ার আঞ্চলিক অফিস কার্যালয়ে স্থাপন করা হয় প্রায় ১কোটি ২২লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি চা কারখানা।