print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১২ এপ্রিল, ২০২১

মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ১২নং চাচুড়ি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের হাড়িয়ার ঘোপ গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম মাষ্টার এর স্ত্রী,ফাতেমা খানম,পিতা জয়নাল আবেদীন,দুইটি সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সিরাজুল ইসলাম ৮ বছর আগে রঘুনাথপুর প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষকতা করা অবস্থায় মারা জান,সেই সুবাদে স্ত্রী ফাতেমা খানম স্বামীর পেনশভোগ করেন এবং সেই সাথে জালিয়াতির মাধ্যমে দুস্থ বয়স্কভাতা ৩৪৭ সিরিয়ালের যার কার্ড নং ১৯১১০৩০৯১৯ ভোগ করছেন।এই নিয়ে হাড়িয়ার ঘোপ গ্রামে গুনজনের শেষ নেই।এদিকে জানা যায়,মৃত,সিরাজুল ইসলামের ৪ছেলের ৩ ছেলে উচ্চ পদস্ত সরকারি চাকুরিজীবী মো:রবিউল ইসলাম,ব্লক সুপারভাইজার কর্মতর মাগুরা,মো:আক্তারুল হক সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নড়াইল,মো:হাবিবুল হক,বনবিভাগ মহেষখালী ও মো:মনিরুল হক মনা মিয়া,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,গ্রামের সম্পদশালী জোরদার ব্যক্তি বলে জানা যায়।মৃত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা খানমের কাছে এ বয়স্কভাতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমি আমার স্বামীর পেনশভোগ করি এবং আমাকে বয়স্কভাতা করে দিয়েছে আমার ছেলে মনা মিয়া,আমি মাত্র একবার বয়স্কভাতা উঠিয়েছি আর ভাতা পায়নি বলেও জানান।ছেলে মনা মিয়ার কাছে মায়ের বয়স্কভাতার কার্ড কিভাবে হলো জানতে চাইলে তিনি কোন কথার উত্তর না দিয়ে ছাফ জানিয়ে দেন আমার মায়ের বয়স্কভাতার কার্ড করেদিয়েছে মেম্বার আপনি তার সাথেই কথা বলেন,আমার সাথে কথা বলার দরকার নেই।
হাড়িয়ার ঘোপ ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাফিজ ফকির এর কাছে ফাতেমা খানমের বয়স্কভাতার কার্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,ফাতেমা খানম বয়স্ক মহিলা বলেই আমি তাকে একটা বয়স্কভাতার কার্ড করে দিয়েছি কিন্তু আমি জানতাম না যে ফাতেমা খানম তার স্বামীর পেনশনভোগ করছেন যখনি জানতে পেরেছি তখনি তার কার্ডটি অপসারণ করেছি বলেও জানান।চাচুড়ি ইউনিয়নের সমাজসেবা অফিসের কর্মি মো:হারুন এর কাছে একই ব্যক্তী কিভাবে দুইটি সরকারি সুবিধা পেনশন ও বয়স্কভাতা ভোগ করে জানতে চাইলে তিনি জানান,মেম্বার মাফিজ আমাকে ফাতেমা খানমের কার্ডের জন্য কাগজপত্র দেয় সেই ভাবেই তার কার্ড হয়েছে কিন্তু পরে যখন জানতে পারলাম ফাতেমা খানম তার স্বামীর পেনশনভোগ করছে তখনি সাথে সাথে কার্ডটি অপসারণ করেছি।চাচুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিরোকে এর কাছে ফাতেমা খানমের বয়স্কভাতার কার্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমি ফাতেমা খানমের কার্ডের বিষয়ে কিছুই জানিনা এবং তখন আমি জেলখানায় ছিলাম জেল থেকে বের হয়ে এসে ফাতেমা খানমের কার্ডের কথা সোনা মাত্রই তার কার্ড অপসারণ করা হয়েছে।