print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,০৩, মার্চ,২০২৩

হাসান আহাম্মেদ সুজন, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি।

২রা মার্চ স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি জামালপুর জেলা শাখার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পতাকা র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকালে স্থানীয় দয়াময়ীমোড় চত্বরে এ দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেন, আলোচনা শেষে পরে ঐখান থেকে একটি পতাকা র‍্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্টেশন রোড মৃধাপাড়া জেলা জেএসডি’র দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। আলোচনা সভা ও পতাকা র‍্যালী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি জামালপুর জেলা শাখা।

সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি মোঃ আমির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও জেএসডি ছাত্রলীগ জামালপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রানার সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন জেএসডি জামালপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন সবুজ, উপদেষ্টা লেখক, গবেষক মশিউল আলম বাবুল, সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক মাস্টার , অধ্যক্ষ আবুল কাশেম, সাংবাদিক আব্দুল আওয়াল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি আশরাফ আলী, জেএসডি নেতা তোজাম্মেল হক, কবি মিজান রাজ লিটন, বাবুল আক্তার লাল মিয়া, শ্রমিক জোটের নেতা আব্দুর রাজ্জাক, লিটন শেখ, যুব পরিষদের সোহেল রানা, ছাত্রলীগের মনির উদ্দিন, খায়রুল ইসলাম বাবু, আজিম উদ্দিন প্রমুখ।
এছাড়াও জেএসডি জামালপুর জেলা শাখা ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

স্বাধীনতার পতাকা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্যে নেতারা বলেন ২ রা মার্চ পতাকা উত্তোলন রাষ্ট্রের অহংকার। পতাকা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক এ পতাকা অর্জনের জন্য যুগে যুগে আন্দোলন সংগ্রাম, আত্নদান সংঘটিত হয়েছে। একটি স্বপ্ন, একটি পতাকা, একটি দেশ, এই চিন্তাকে বাস্তবে রূপ দিতে ২৪ বছরের টগবগে যুবক ডাকসুর সাবেক সহ-সভাপতি স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের নেতা ইতিহাসের নায়ক বঙ্গনেতা আ, স, ম আব্দুর রব ১৯৭১ সালের ২ রা মার্চ তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় কলাভবন প্রাঙ্গনে লাখো ছাত্রজনতার সমাবেশে দেশমাতৃকার জন্য অকুতোভয় দুঃসাহসী সৈনিক হিসেবে উপহার দিয়েছিলেন বাঙ্গালী জাতির কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণের স্বাদ আমাদের লাল সবুজের মানচিত্র খচিত পতাকা। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, আমাদের স্বাধীনতার প্রথম দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে তা আজ স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর অতিক্রম হওয়ার পরও আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বৈষম্যের কারণে পতাকা উত্তোলন দিবসটিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করতে ব্যর্থ হচ্ছি, বাংলার ইতিহাস কারো পৈতৃক সম্পত্তি নয়, কারো লকারের চাবি নয়, বাংলার ইতিহাস সমগ্র জাতির। যে চেতনা নিয়ে স্বাধীনতা লাভ করেছিলাম তা আজ ভূলুণ্ঠিত। সাম্য, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদার বাংলাদেশ বিনির্মান করতে হলে সকল বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সুফল পেতে পতাকা তৈরী, পরিকল্পনা ও উত্তোলনের সঠিক ও সত্য ইতিহাস আজকের প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে, পাশাপাশি পাঠ্যপূস্তকে এই ইতিহাস লিপিবদ্ধ করে জাতীয় দিবসের স্বীকৃতির দাবি জানানো হয়।

তারিখ -৩-৩-২৩ইং