print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:-

চট্টগ্রামে আনোয়ারা উপজেলায় গত ২৬ মার্চ এ নির্যাতিত পরিবার সাংবাদিক সন্মেলন করেছে।
নির্যাতিত পরিবার বশির আহম্মদের পক্ষে   কালা বিবি দিঘি মোড় টানেল রেস্টুরেন্টে  মোহাম্মদ বশির আহম্মদের পক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

শাহারিতা বশিরের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এই সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা ভয়ে কাতর প্রতিপক্ষের লোকজন বিভিন্ন ভয়ভীতি হুমকি ধামকি কারণে। সে জানান, তার পিতা তথা মোঃ বশির আহম্মদের পিতা আইয়ুব আলী জীবনদ্দশায়  গত ১৯/০৯/২০০৪ ইং তারিখ রেজিস্টার্ড কবলা নং ৩৪৩৫ মূলে প্রতিপক্ষ মৃত মফিজুর রহমানের বড় ভাই আফাজুর রহমানের নিকট হতে আর এস ১০৫০ নং দাগে ১ কড়া ও ১০৫২ নং দাগে ৩ কড়া জমি খরিদ করেন ।

পরবর্তীতে আফাজুর রহমান পিতা মৃত আব্দুল আলী উক্ত ভূমিতে দুই বছর বাস করার অনুরোধ করিলে প্রতিবেশি বিধায় মানবিক কারণে তাকে আমার পিতা বসবাস করতে দেন । ইতিমধ্যে  তিনি মারা গেলে তার  সহোদর  মফিজুর রহমান ও তার  ৬ পুত্র উক্ত ভূমি জবর দখল করে দখল ছাড়তে  অস্বীকৃতি জানায়। এর  প্রেক্ষিতে আনোয়ারা থানায় জিডি নাম্বার ১৩৮০/২৩, ও  ফৌজদারি মামলা নাম্বার ৩২৮/২৩ দায়ে করা হয়।  মামলা হওয়ার পর  সাজ্জাদ হোসেনকে  মেরে ফেলার হুমকি ও তার ছোট ভাই এয়ার মোহাম্মদকে হামলা করায়  থানায় যথাক্রমে ৩০/০৯/২৩ ইং ও ১০/০৪/২৪ ইং তারিখে পরপর দুটি জিডি হয়।

এছাড়াও গত  ০৭/১১/২০২৩ ইং   উক্ত বিষয় মীমাংসার জন্য শালিশী বৈঠক বসলে শালিশকারগণ যে মতামত দেন, উক্ত মতামত তারা মেনে নিয়েছে বলে সু-কৌশলে বৈঠক থেকে চলে গিয়ে পরদিন তাদের মত পাল্টাইয়ে ফেলে ।  উক্ত বিষয় নিয়ে থানায় ২০/০১/২০২৪ ইং তারিখে বৈঠক বসলে ও থানার সিদ্ধান্ত তারা মানবে বলে  পরদিন থেকে আর মানে নাই  কথিত  সোলায়মান গংয়েরা সেনা ক্যাম্পে নালিশ দিলে ০৩/০৩/২০২৫ ইং তারিখে আমাদের উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয় যে, একটি নির্দিষ্ট তারিখে উক্ত জায়গা পরিমাপ করে মালিকদের বুঝিয়ে দেবে । কিন্তু দুঃখের বিষয়, ধার্য্য  তারিখে জায়গা

পরিমাপ করতে  গেলে  সোলায়মান গংদের প্ররোচনায় জনৈক ব্যক্তি তাদের জায়গার উপর দিয়ে পরিমাপ না করতে তীব্রভাবে বাধা প্রদান করে । ফলে বিষয়টি যথারীতি অমীমাংসিত থেকে যায়। এ নির্যাতিত পরিবার অভিযোগ করেন।  মামলা, মোকদ্দমা ও জিডি উদ্ভব ঘটলে ও বিষয়টি অমীমাংসিত থেকে যায় । শাহারীতা বশির দাবি তাদের   মৌরশী কর্তৃক  ক্রয়কৃত সম্পত্তি ফিরে পেতে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন,

 মো: মন্নান একজন বর্ণচোরা  কখনো মেজর, কখনো লেঃ কর্নেল ও কখনো বিগ্রেডিয়ার পরিচয় দিয়ে আমাদেরকে  বিভিন্ন নাম্বার থেকে দৈনিক কয়েকবার ফোন করে  ভয় ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। তাদের সাথে জড়িত  ফাহিম ও কথিত  মোঃ সোলায়মান  মদ খেয়ে অর্ধনগ্নাবস্তায় বিশ্রী গালি-গালাজ করে  

ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে ।   এমতাবস্থায়  সরকারের সংশ্লিষ্ট শাহারিতা বশির চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী  হস্তক্ষেপ কামনা করেন।