print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,২৯, মার্চ,২০২২

শ্রীনগর(মুন্সীগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বোনদের ওয়ারিশ ভাইয়েরা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার সকাল ১০টার দিকের উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কামারগাঁও নয়াবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এব্যাপারে ভুক্তভোগী বোন মোসাঃ কুলসুম বেগম(৬০) বাদী হয়ে তার ছোট ভাই হিরো মোল্লা(৫৫)সহ ৬জনকে বিবাদী করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী বোন কুলসুম বেগমের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভাগ্যকুল ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামের মৃত লাকু মোল্লার কামারগাঁও মৌজাস্থিত বিভিন্ন দাগের মোট ৩.১৮ একর সম্পত্তির ভুক্তভোগী কুলসুম বেগমসহ তার ৪বোন ও ২ভাই পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে মালিক।

বোনদের ওয়ারিশের প্রাপ্ত সম্পত্তি ভাই হিরো মোল্লাসহ মৃত ইউনুছ মোল্লার ছেলে আলমগীর(৪০), আজিজ বেপারীর ছেলে কামাল বেপারী(৪৮), সেরাজুল মৃধার ছেলে রুবেল(৩৫), ইব্রাহীম(১৯), মৃত আহসান উল্লাহ আকনের ছেলে কামাল আকন(৫৫), হাকিম আলী সরদারে ছেলে বারেক সরদার(৩৮)গন দীর্ঘদিন জবর দখল মাধ্যমে ভোগদখলে করে রাখে।

সকল বোনেরা পৈত্রিক ওয়ারিশ বুঝাইয়া দিতে বললে তাদেরকে সম্পত্তি দিবে না বলে নানা প্রকার হুমকি ধামকি দিয়ে আসতেছিল। গত ২০০৪ সালে লাকু মোল্লা মৃত্যূর পূর্বের তার সম্পত্তি ছেলে মেয়েদের মাঝে লিখে দিয়ে যান। গেল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত ভোক্তভোগী বোনেরা শ্রমিক দিয়ে তাদের ওয়ারিশের সম্পত্তিতে থাকা বাঁশ ঝাড় থেকে অনুমান ২০হাজার টাকা কাটে। এ সময় হিরো মোল্লাসহ অন্যান্যরা এসে বাধা দিলে শ্রমিকরা চলে আসে। পরে ঐদিন বিকেল ৪টার দিকে হিরো মোল্লাগং ভুক্তভোগীর কাটা বাঁশ গাড়ী যোগে নিয়ে যায়। তখন ভুক্তভোগীর মেয়ে নাসরিন ও বোন লিপি বাধা নিষেধ করলে তাদেরকে মারপিট করতে তেড়ে আসে এবং বোনে গলায় থাকা চেইন নিয়ে খুন জখমের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

বোনদের ওয়ারিশ না দিয়ে জবর দখল করে রাখার বিষয়ে হিরো মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামী ২তারিখ আমরা বসে বিষয়টি শেষ করে দিব।
এব্যাপার ভাগ্যকুল ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শিপন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই বোনদের ওয়ারিশের বিষয় নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বসাবসি হয়েছে। যখনি একটা মিলে মধ্যে আসে তখন ভাইয়েরা এক ঝামেলা সৃষ্টি করায় সমাধান হয় নাই। তবে বোনেরা ওয়ারিশ পাবে।
শ্রীনগর থানা পুলিমের উপ-পুলিশ পরিদর্শক(এস/আই) সাইফুুল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।