
প্রকাশিত, ১৮ মার্চ, ২০২১
রাব্বুল ইসলাম, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
শৈলকূপার ফুলহরি গ্রামে গত বুধবার আনুমানিক বিকাল ৩ টার দিকে বাঁশের আগা কাটা কে কেন্দ্র করে পাশা পাশী বসাবাস রত সাবেক ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান আশা ও ঝিনাইদহ রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত আব্দুল মালেক এই দুই পরিবারের সদস্যের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এই কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আব্দুল মালেকের পরিবারের সদস্যরা সংগঠিত হয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আশার পরিবারের উপর হামলা চালায়ে বাড়ি ভাংচুর ও নগদ টাকা লুটপাঠ করেছে বলে সাংবাদিকদের নিকট জানিয়েছে সাবেক ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান আশা ও তার ভাই ইসমাইল হোসেন ।
সাবেক ইউপি সদস্য আশা ও তার ভাই ইসমাইল হোসেন জানায় যে তাদের বাড়ির পাঁশে মালেকের পরিবারের সদস্য জ্যোৎস্না খাতুনের বাঁশের ঝাড়ের বাঁশ বিদ্যুতের তারের উপর গিয়ে হেলে পড়ছে। এই বাঁশের আগা কেটে দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে উভয় পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হোলে মালেকের পরিবারের নারী পুরুষ একত্রিত হয়ে হয়ে আশার ভাই ইসমাইলের উপর হামলা চালায় ও বাড়িঘর ভাংচুর করে। এই সময়ে ইউ পি সদস্য আশা ঠেকেতে গেলে তার উপর হামলা হয়। বাড়ি ঘর ভাংচুর করে এক লক্ষ ৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। তাদের হামলায় আহত হয় ইউপি সদস্য ও তার ভাই। তারা আরও জানায় যে মালেকের ভাই আবু তালেব ফুলহরি আদর্শ জামে মসজিদের সাধারন সম্পাদক ছিল পরে আশার ভাই ইসমাইল সাধারন সম্পাদক হয়। তবে সাধারন সম্পাদক থাকা অবস্থায় আবু তালেব মসজিদের টাকা পয়সার হিসাব দেয় না। এই নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে দণ্ড চলে আসছিল। সেই জের ধরে তাদের পরিবারের উপর হামলা বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাঠ করেছে প্রতিপক্ষরা।
এই প্রসঙ্গে আব্দুল মালেক ও তালেবের পরিবারের সাথে কথা বললে তারা জানায় যে আশার ভাই তাদের বাঁশ ঝাড়ের বাঁশের আগা কেটে দেয়। তার বাঁশের আগা কাটায় বাঁধা দিতে গেলে তারা জ্যোৎস্না কে মারধর করে। এই ঘটনায় সামান্য মারা মারি হয়েছে তবে কোন বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেনি। ওরা নিজেরাই নিজেদের বাড়ি ভাংচুর করে আমাদের দোষ দিচ্ছে। তাছাড়া মসজিদের সকল হিসাব আবু তালেব বুঝিয়ে দিয়েছে।
তবে ঘটনা ঘটার একদিন পার হয়ে গেলেও কেউ থানায় কোন মামলা অথবা অভিযোগ দায়ের করেনি।


