
প্রকাশিত,২৪, ফেব্রুয়ারি,২০২২
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহীঃ
রাজশাহীতে এম্বুলেন্সের হর্ণ বাজানোকে কেন্দ্র করে পিতা-পূত্রের হামলায় মো. শাহাদত হোসেন ফয়সাল (৩১) নামের এক যুবককে লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে রক্তাত করার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুর দেড়টায় মহানগরীর রাজপাড়া থানার শিমুলতলা ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এ্যাম্বুলেন্স চালক ফয়সাল বাদী হয়ে বিকেলে নিজেই রাজপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্র্তি রয়েছেন।
আহত এ্যাম্বুলেন্স চালক ফয়সালের জানান, রামেকের অর্থোপেডিক বিভাগ থেকে ছাড় পাওয়া দূর্গাপুর কানপাড়ার এক রোগী এম্বুলেন্স ভাড়া নেয়।
রোগী ও তার স্বজনেরা হযরত শাহ মুখদুম (র.) এর দরগা শরীফে যেতে চায়। তাদের সেখান থেকে নিয়ে পুনরায় রামেকে এসে তাদের গ্রামে বাড়ী যাওয়ার পথে রাজপাড়া এলাকার শিমুলতলা ক্লাবের সামনে আসি। সেখানে প্রচন্ড ভীড় হওয়ায় আমি গাড়ীর হর্ণ বাজায়। এতে ওই এলাকার লোহার ভাংরি ব্যবসায়ী মো. আইনুল ইসলাম (৪৫) ও তার ছেলে এ্যানি (২৫) আমাকে গাড়ী থেকে নামিয়ে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। এতে গুরুত্বর আহত হলে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, আইনুল ও তার ছেলে এ্যানি প্রায়শই এভাবে রাস্তায় গাড়ী-ঘোড়ার চালানো মানুষকে হর্ণ বাজানোর কারণে মারধর করেন। তারা বাপ-ছেলে উভয়েই মাদকাসক্ত। একারণে এলাকার কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলেন না। এছাড়াও তারা ওই দোকানটি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে ভাংরির ব্যবসা করছে। শুধু তাই নয়, তারা ভাংরির ব্যবসার আড়ালে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের চুরির মালামাল ক্রয়-বিক্রয় করেন। তাদের পেছনে রয়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। একারণে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে নারাজ।
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের একটি ঘটনার বিষয়ে শুনেছিলাম। তবে আমার কানে এসেছিল রিক্সাচালক। কিন্তু জানা ছিল না সেটি এ্যাম্বুলেন্সের চালক।
তিনি বলেন, এমন ঘটনা অত্যন্ত দু:খজনক। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
পুলিশের গেট আপে পরিবর্তন আনতে ট্যাকটিক্যাল বেল্ট বিতরণ করলেন আরএমপি পুলিশ কমিশনার
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী মেট্রেলিটন পুশ সদস্যদের মাঝে ট্যাকটিক্যাল বেল্ট বিতরণ করলেন আরএমপি পলশ কমিশনার মো. আবু কালাম সিদ্দিক।
বৃস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আরএমপি পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সদস্যদের মাঝে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই ট্যাকটিক্যাল বেল্ট বিতরণ করেন তিনি।
এ সময় পুলিশ কমিশনার তাঁর বক্তব্যে বলেন, প্রথমবারের মতো আরএমপি পুলিশ সদস্যরা ট্যাকটিক্যাল বেল্ট পরে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ৫০ বছর পূর্তিতে রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত ৫ম সাংস্কৃতিক মিলনমেলার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। এই অনুষ্ঠান চলবে আগামী ২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ পুলিশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ পুলিশ হিসেবে গড়ে তুলতে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ, বিপিএম (বার) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ‘দক্ষ পুলিশ, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আইজিপি পুলিশ সদস্যদের ক্ষুদ্রাস্ত্র বহনের জন্য ট্যাকটিক্যাল বেল্ট এর ব্যবস্থা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে ৪শত টি ট্যাকটিক্যাল বেল্ট সরবরাহ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল পুলিশ সদস্যদের ট্যাকটিক্যাল বেল্ট দেওয়া হবে।
ট্যাকটিক্যাল বেল্ট ব্যবহারের ফলে উন্নত দেশের পুলিশের ন্যায় বাংলাদেশ পুলিশের গেট আপে পরিবর্তন আসবে, পুলিশের দক্ষতা বাড়বে এবং জনগণকে আরো সহজে দ্রুততার সহিত সেবা দিতে পারবে বলেও তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
উপ-পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিক) মোঃ সাইফুদ্দিন শাহীন জানান, বেল্ট ব্যবহারে আরএমপি পুলশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ছয় চেম্বারের আধুনিক এই ট্যাকটিক্যাল বেল্টে থাকবে পিস্তল, হ্যান্ডকাফ, অতিরিক্ত ম্যাগাজিন, এক্সপেন্ডেবল ব্যাটন, পানির বোতল, টর্চ লাইট ও ওয়ারলেস। সর্বাধুনিক এই অপরারেশনাল গিয়ারে ট্যাকটিক্যাল বেল্ট, স্মল আর্মস উইথ থাই হোলেস্টার ও হ্যান্ডস ফ্রি কমিউনিকেশন যুক্ত করা হয়েছে। যা ব্যবহার করে পুলিশ সদস্যরা ডিউটিকালীন অধিক সক্রিয় ভাবে তাদের উপর অর্পিত দ্বায়িত্ব পালনে সক্ষম হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মো: সুজায়েত ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) মোঃ মজিদ আলী বিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) মোঃ রশীদুল হাসান পিপিএম ও উপ-পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া) মোঃ সাজিদ হোসেন সহ আরএমপি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
রাজশাহী এডভোকেট’স বার এসোসিয়েশন
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী এডভোকেট’স বার এসোসিয়েশন নির্বাচন-২০২২ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ্যাডভোকেট এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বার ভবনে গিয়ে ভোট দেন মেয়র। ভোট প্রদান শেষে রাজশাহী এডভোকেট’স বার এসোসিয়েশন নির্বাচন ঘুরে দেখেন তিনি।
এ সময় রাজশাহী এডভোকেট’স বার এসোসিয়েশন নির্বাচন-২০২২ এ সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের মনোনীত সভাপতি প্রার্থী এ্যাড. মোঃ ইব্রাহিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী এ্যাড. একরামুল হক সহ অন্যান্য আইনজীবীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মাসুদ রানা রাব্বানী
রাজশাহী,
২৪-০২-২০২২


