
প্রকাশিত,১৫, জুলাই,২০২১
মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
নড়াইলের বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য শাহিন চাঁদা দিতে রাজী না হওয়ায় সন্ত্রাসী লিয়াকতসহ দুই ছেলে নিয়ে শাহিন কে খুনের উদ্দেশে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নড়াইলের বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য ও ড্রামট্রাক চালক শাহিন সন্ত্রাসী লিয়াকতকে চাঁদা দিতে রাজী না হওয়ায় সন্ত্রাসী লিয়াকতসহ দুই ছেলেকে সাথে নিয়ে শাহিন কে খুনের উদ্দেশে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা করে।স্থানীয় লোক জন ও আহত শাহিনের স্বজন”রা জানান,নড়াইলের বহুল আলোচিত একাধীক খুন,ধর্ষণ, চুরি,ছিনতাই,মামলার আসামি নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়ন সীমাখালী গ্রামের সোহরাব সিকদারে ছেলে লিয়াকত সিকদার (৫০) ও তার দুই ছেলে রিয়াজ সিকদার,এবং পাভেল সিকদার ।
নড়াইল জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সদস্য নড়াইল পৌরসভার ভওয়াখালী ৫নং ওয়ার্ডের মৃত আঃসালাম মাস্টার এর ছেলে মনিরুল ইসলাম শাহিন (৪৭) কে মারাত্মক ভাবে হত্যার উদ্দেশে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা করে।আহত শাহিন এপ্রতিবেদক কে জানান,(১৩ জুলাই) মঙ্গলবার রাত ৮ ঘটিকার সময় ধোপাখোলা মোড়ের সর্দার পেট্রোল পাম্প এর সামনে ড্রাম ট্রাকে বালি ভর্তির সময় আলোচিত ছিনতাইকারী চোঁর চক্রের প্রধান সীমাখালী গ্রামের সোহরাব সিকদার এর ছেলে লিয়াকত সিকদার আমাকে বালির বেড থেকে বালি নিতে বাধাঁ দেয় এবং আমি মনিরুল ইসলাম শাহিন (৪৭) আমাকে হমকি দিয়ে বলে এখান থেকে বালি নিতে হলে আমাকে চাঁদা দিতে হবে,তা না হলে তোরা বালি ভর্তি ট্রাক নিয়ে এখান থেকে যেতে পারবি না,আমাকে টাকা না দিলে ঝামেলা আছে বলে হুমকি ধামকী দেয়।এসময় ড্রাইভার শাহিন এর সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে লিয়াকত সিকদার শাহিনকে কিল-ঘুষি মারতে থাকলে অবস্থার বেগতীক দেখে শাহিন দৌড়ে পালিয়ে পাসের একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নেয়।
এর কিছু সময় পরে লিয়াকত সিকদার তার বাড়িতে গিয়ে একটি হোন্ডা মোটর সাইকেল যোগে তার দুই ছেলেকে সাথে নিয়ে ছেন-দা ও লোহার পাইপ দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে শাহিনকে মারাত্মক রক্ত জখম এবং হত্যা চেষ্টা করে।এ অবস্থায় ড্রাম ট্রাকের মালিকগণ ও আশপাশে থাকা লোকজন শাহিন কে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহিনের অবস্থার অবম্নতি দেখে দ্রুত যশোর মেডিকেল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্যে রিফার্ড করে।
বর্তমান আহত শাহিনের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।এদিকে এঘটনার বিষয়ে জানতে লিয়াকতের সীমাখালী তার নিজ বাড়িতে তার সাক্ষাতকার আনতে গেলে তাকে বা তার ছেলে সহ পরিবারের কাউকে তার বাড়িতে পাওয়া যায়নি এজন্য লিয়াকতের বক্তত্ব নেওয়া সম্ভব হয়নি।


