print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৬, জুলাই,২০২১
তপন দাস

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর জেনারেল হাসপাতালে টয়লেটে প্রসাব করতে গিয়ে টয়লেটে পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন মিনি বেগম নামে এক অভাগিনী মা।

আজ শুক্রবার বিকেল ৩ টার দিকে নীলফামারীর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়াডের মা ও শিশু বিভাগের নিচ তলায় এ ঘটনাটি ঘটে।
পরে নীলফামারী ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধার কারী টিম ঘটনাস্হলে এসে প্রায় চার ঘন্টা চেষ্টা করে টয়লেটের পাইপ কেটে নবজাতক শিশু টির লাশ উদ্ধার করে।

এবিষয়ে উক্ত নবজাতকের দাদি আনজুমান আরা বেগমের সাথে কথা হলে কান্নাশ্রিত অবস্থায় তিনি বলেন হামরা ডিমলার ঠুটারডাঙ্গা থাকি আসছি বাহে , মোর ভাতিজার এটা পয়লা ছোয়া , হামলা ডিমলার হাসপাতালোত আল্ট্রাসোনো করিয়া মৃত বাচ্চার খবর শুনলে নীলফামারীত আসি কিন্তু এটে কেনাও একই কথা কয়, কিন্তু আইজ কা বৌমা প্রসাব করিবার জন্য টয়লেট গেইল৷ সেইটে তার বাচ্চা জন্ম হয় কিন্তু বাচ্চা টা পাইপোত তলে গেইছে বাহে এখন মোর নাতি টাক ওখান থেকে ওঠে দেও বাহে।

এদিকে নবজাতকের বাবা মিনারুল ইসলামের সাথে একাধিক বার কথা বলার জন্য চেষ্টা করেও কথা বলা যায় নি।
এবিষয়ে নীলফামারীর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাক্তার শ্রী অমল রায়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন গত বুধবার রাতে ডিমলা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পেটে মৃত নবজাতক সহ মিনি বেগম নামে এক গর্ভবতি মহিলা নীলফামারীর জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়াডের মা ও শিশু বিভাগের জরুরি বিভাগে ভর্তি হন এবং তার স্বামী মিনারুল ইসলাম ও তার সাথে এসেছিলেন। কিন্তু আজ বিকেল তিনটার দিকে আমি জানতে পারি যে উক্ত মহিলা টয়লেটে প্রসাব করা সময় টয়লেটে বাচ্চা প্রসব করে এবং বাচ্চা টি টয়লেটের পাইপে চলে যায় তখন আমি দ্রুত নীলফামারীর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কে খবর দেই পরে তারা এসে তিন ঘন্টা পর পাইপ কেটে মৃত নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে।

এদিকে নীলফামারীর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর স্টেশন অফিসার মিয়ারাজ উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমরা খবর পাওয়া মাত্র সেখানে যাই এবং তিন ঘন্টার প্রচন্ড চেষ্টায় আমরা টয়লেটের পাইপ কেটে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কে বুঝিয়ে দেই।