
প্রকাশিত,০৬, নভেম্বর,২০২১
জ,ই বু্লবুল :নবীনগর-
ব্রাম্মণবাড়িয়া থেকেঃ
কিছুটা সময়ের জন্য প্রাচীন গ্রাম বাংলার আবহে ফিরে যেতে পেরে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন স্থানীয়রা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর কুড়িঘর গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর লাঠি খেলা। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ছিল উৎসবের আমেজ। শুক্রবার উপজেলার কুড়িঘর গ্রামের হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী এই প্রাচীন খেলাটি।
কালের ক্রমে হারিয়ে যাওয়া লাঠি খেলা দেখতে ভিড় করে নানা বয়সের মানুষ। গ্রামীন এ ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলাকে টিকিয়ে রাখতে দরকার প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা এমনটাই মনে করেন দর্শনার্থীরা।
শুক্রবার দুপুর থেকেই কেউ হেঁটে আবার কেউবা ভ্যান কিংবা মোটরসাইকেলে কুড়িঘর গ্রামের হাইস্কুল মাঠে আসতে শুরু করেন। সুর্য পশ্চিম দিগন্তে একটু হেলে পড়তেই শুরু হয় খেলা।
ঢাক, ঢোল আর সানাইয়ের শব্দে চারপাশ উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বাদ্যের তালে নেচে নেচে লাঠি খেলে অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে লাঠিয়ালরা। তারপরই চলে লাঠির কসরত। প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা ও তাকে আঘাত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন লাঠিয়ালরা। এসব দৃশ্য দেখে আগত দর্শকরাও করতালির মাধ্যমে উৎসাহ যোগায় খেলোয়াড়দের। হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে নিয়মিত এই ধরনের আয়োজন করার দাবি করেন দর্শকরা।
সমাজ থেকে অন্যায় অপরাধ দুর করতে আর হারানো ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই আয়োজন বলে জানান এই অনুষ্ঠানের প্রধান পরিকল্পনাকারী ও আঃ আহাদ
শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা অবধি চলা লাঠিখেলায় কুড়িঘর গ্রামের ২৪টি লাঠিয়াল বাহিনী অংশগ্রহণ করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের লাঠি লড়ী এসোসিয়েশন এর সাধারণ উস্তাদ শায়েস্তা খান, নাটঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ আবুল কাসেম, জাকির হোসেন সর্দার,রফিকুল ইসলাম রতন, ডাঃ মহিউদ্দিন আহমেদ, শামিম সর্দার,সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
#জ,ই বু্লবুল :নবীনগর-
ব্রাম্মণবাড়িয়া থেকে।
তারিখ :৬/১১/২১


