print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,২৪,মে,২০২১

এম এইচ লিপু মজুমদার ধর্মপাশা প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাদেকুর রহমানের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ( ইউপি চেয়াম্যানের) নাম ভাঙ্গিয়ে সরকারি একটি প্রকল্প কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে স্থানীয় দয়ালপুর দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের কাছ থেকে ১৭হাজার টাকা নিয়ে তা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আজ রবিবার (২৩মে) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মর্কতার কাছে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো.রাশিদ মিয়া সুবিচার চেয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন।

উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দয়ালপুর দক্ষিণপাড়া জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো.রাশিদ মিয়ার অভিযোগ, গত বছর বন্যার পানিতে আমাদের গ্রামের জামে মসজিদঘরটির চারদিকে মাটি সরে যায়। আমাদের ইউনিয়ন চেয়াম্যান আমানুর রাজা চৌধুরীর কাছে ৭/৮মাস আগে এ সমস্যা সমাধানের জন্য দাবি জানিয়েছিলাম। এরই প্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান আমানুর রাজা চৌধুরী ও ইউপি সদস্য সাদেকুর রহমান সরেজমিনে আমাদের মসজিদটি পরিদর্শন করে এই দূরাবস্থা দেখেন। তখনকার সময় ওই ইউপি সদস্য আমাকে জানিয়েছিলেন, অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (৪০দিনের) প্রকল্প কাজের মাধ্যমে এটির কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। তবে এ বাবদ ইউএনও এবং ইউপি চেয়ারম্যান এই দুজনকে মিলিয়ে ২৫হাজার টাকা দিতে হবে। কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে কাজটি পাওয়ার সুবিধার্থে আমাদের কমিটির কয়েকজন সদস্য ও ওই ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের হারুন মিয়ার উপস্থিতিতে ওই ইউপি সদস্যদের কাছে এ বাবদ ১৭হাজার টাকা তুলে দিয়েছি। মাসের পর মাস যাচ্ছে এখনো কাজও হয়নি,টাকাও ফেরত পাইনি।

সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের ৮নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য সাদেকুর রহমান বলেন, আমি রাজাপুর গ্রামের হারুন মিয়ার কাছ থেকে ১৭হাজার ধার নিছি। ইউএনও এবং চেয়ারম্যানের নাম ভাঙ্গিয়ে সরকারি প্রকল্প কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কোনো টাকা নিইনি।

রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা হারুন মিয়া বলেন আমি ওই ইউপি সদস্যকে কোনোরকম টাকা হাওলাত দিইনি। আমাদের ইউনিয়নের ৪০দিনের প্রকল্পের (অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির) একটি প্রকল্প কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে আমার সামনে ইউপি সদস্য সাদেকুর রহমান মসজিদ ফান্ডের ১৭হাজার টাকা নিয়েছেন। এখন সেই টাকা দ্রুত সময়ের মধ্যে ফেরত দেবেন বলে জানিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মককরতা (ইউএনও) মো.মুনতাসির হাসান বলেন, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#