
প্রকাশিত,১৪, ডিসেম্বর,২০২১
মোঃ জিকরুল হকঃ
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ ও কোতোয়ালি থানার জিডি সূত্রে জানা গেছে, অতঃপর বিভিন্ন সময়ে উক্ত ওয়াকফনামা দলিলের শর্তানুসারে ওয়াকফ দাতাগণের ইচ্ছা অনুসারে উক্ত সম্পত্তিতে উল্লেখিত স্থাপনা তৈরি করে বিভিন্ন সময়ে আহলে হাদিস মুসলিম জনগোষ্ঠীর মাধ্যমে কমিটি গঠন করে পরিচালনা করে আসছে।
উক্ত স্থানে দিনাজপুর কেন্দ্রীয় আহলে হাদিস জামে মসজিদ ও রহমানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং লিল্লাহ বোর্ডিং রয়েছে।প্রতিপক্ষ (১)ওয়াহিদুজ্জামান বুলবুল,পিতা মৃত- নুরুল ইসলাম সাং- ঈদগা আবাসিক এলাকা (২) হবিবর রহমান,রেজাউর রহমান,উভয় পিতা- মরহুম হাজি জলিল উদ্দিন আহমদ,উভয় সাং পাটুয়াপাড়া,সর্ব থানা কোতোয়ালি,জেলা দিনাজপুরগণ কতিপয় জাল ও ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে উক্ত সম্পত্তি আংশিক ভাবে দখল নিয়ে সম্পূর্ণ সম্পত্তি গ্রাস করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও পায়তারা করছেন।তারা জোরপূর্বক বেআইনি ভাবে উক্ত সম্পত্তি আহলে হাদিস জনগোষ্ঠীকে বেদখল করে ব্যক্তিগত স্থাপনা তৈরি ও কুক্ষিগত করার জন্য পূনঃ চেষ্টা করছেন।
প্রতিপক্ষগণ নিম্ন তপশিল বর্ণিত সম্পত্তির বিষয়ে সম্পন্ন নিসম্পর্কীয় ব্যক্তি হওয়া সত্বেও আহলে হাদিস জনগোষ্ঠীকে ওয়াকফকৃত সম্পত্তির হতে সম্পূর্ণ অন্যায় ও বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করে জবর দখল করার জন্য গত ৮.১২.২১ ইং তারিখ বুধবার সময় অনুমান সকাল ৯ টার সময় ওয়াকফকৃত উক্ত সম্পত্তিতে প্রতিপক্ষগন সহ আরোও অপরিচিত সাত-আটজন একযোগে অসৎ উদ্দেশ্যে দাঙ্গা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পত্তিতে গিয়ে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করে।
আমরা সংবাদ পেয়ে স্থানীয় আহলে হাদিস জনগোষ্ঠীর লোকজন প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করলে প্রতিপক্ষগণ ভয়ভিতী দেখায় যে,তারা যে কোনোভাবেই উক্ত সম্পত্তি দখল করে নিয়ে ছাড়বে।বাধা দিতে গেলে প্রাণে মেরে ফেলবে, লাশ গুম করে দিবে,মসজিদ-মাদ্রাসা পুড়ে ভস্মিভুত করে দেবে। প্রতিপক্ষ গণের দ্বারা আহলে হাদিস মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওয়াকফকৃত উক্ত প্রতিষ্ঠানে মসজিদ-মাদ্রাসার অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার ও মসজিদ এবং মাদ্রাসার মুসল্লী,ছাত্র এবং সংশ্লিষ্টদের শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষতি হওয়ার সমুহ আশু সম্ভাবনা বিদ্যমান।
প্রতিপক্ষগণের এরূপ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে গত ১১ ডিসেম্বর দিনাজপুরে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে আহলে হাদিসের নেতৃবৃন্দ, সদস্য ছাড়াও অংশ নেন জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ পারভেজ।


