print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১২, নভেম্বর,২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের চামিয়াদী গ্রামের মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে ০১/আজাহার আলী,পিতা মৃত.হাফিজ উদ্দিন ০২/আমেনা খাতুন, স্বামী :আজাহার আলী, গ্রাম কৈয়াদী ,ভালুকা , ময়মনসিংহ।
দুইজনকে বিবাদী করে ভালুকা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
আলমগীর হোসেন বলেন (৩০) বছর পূর্বে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের চামিয়াদী গ্রামে আমার স্ত্রীর আপন বড় ভাই আজাহার আলীর দখলীয় ৫৬ শতাংশ খাস জমি ক্রয় করে ঘর-বাড়ী নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিলাম।
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার চামিয়াদী মৌজার জে.এল. নং সি.এস/ এস.এ- ২৮৬ খতিয়ান নং এস.এ -১,১৪/১৫ দাগ নং সি .এস / এস.এ-৩৬১ দাগে কান্দা খাস ৫৬ শতাংশ জমি স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে নগদ টাকায় ক্রয় করিয়া বাড়ি ঘর নির্মাণ করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে বসত করতেছিলাম।
এমনতাবস্হায় আমার স্ত্রীর বড় ভাই আজাহার আলীর স্ত্রী আমেনা বেগম ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ক্ষমতার দাপটে আমার বসত ভিটা হতে আমাকে জোরপূর্বক তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য পাঁয়তারা করে আসছে। পরবর্তীতে আবারও ৫০,০০০ /হাজার টাকা দিয়ে স্ট্যাম্পে লিখিত করে দেন, এরপরও আমার শেষ সম্বল জমি টুকু নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছেন।
আলমগীরের স্ত্রী জরিনা খাতুন বলেন ,আমার আপন বড় ভাই আজাহার আলীর কাছ থেকে ৩০ বছর আগে ৫৬ শতাংশ জমি কিনে ঘর -বাড়ী করে বসবাস করে আসছিলাম ,আমার ভাবি ইউপি সদস্য হওয়ার পর থেকেই আমার জমিটুকু কেড়ে নিয়ে আমাকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে এবং পরবর্তীতে ৫০,০০০/হাজার টাকা নেওয়ার পরেও আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য আমেনা বেগম বলেন, আমি এখানে বাড়ি করার চিন্তা করেছিলাম। আমার অনুপস্থিতিতে আমার স্বামীকে জোর করে স্ট্যাম্পে সই নিয়েছে। ৫০,০০০টাকা চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়ে রেখেছি আমি টাকা নিবো না আমার জমির প্রয়োজন। আমি থানায় অভিযোগ করেছি আগামী সোমবার দিন থানায় বসার কথা।

এ ব্যাপারে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম বলেন, নুরুল ইসলাম মেম্বারের বাড়িতে বসেই ৫০,০০০/হাজার টাকা আজাহার স্ট্যাম্প এর মাধ্যমে চুক্তি করে নিয়েছে। সেখানে মহিলা মেম্বার আমেনা উপস্থিত ছিল না। এটা নিয়ে আমরা অনেকবার গ্রাম্য সালিশ করেছি শুনেছি আমেনা খাতুন থানায় অভিযোগ করেছে।এখন আইনের মাধ্যমে এটা একটা সুষ্ঠু সমাধান হবে ইনশাল্লাহ।