ঈদে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রবাসী সমাজসেবক এম বদিউজ্জামানের উদ্যোগে ২ হাজার অসহায়ের মাঝে চাল বিতরণ


দেশ সময় প্রকাশের সময় : ২০২৬-০৩-১৬, ৮:২৫ অপরাহ্ন /
ঈদে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রবাসী সমাজসেবক এম বদিউজ্জামানের উদ্যোগে ২ হাজার অসহায়ের মাঝে চাল বিতরণ
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

মোঃ শিহাব উদ্দিন
জেলা প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রবাসী সমাজসেবক এম বদিউজ্জামান। তাঁর ব্যক্তিগত অর্থায়নে জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দুই হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
জানা যায়, নবীনবাগ, ঘোনাপাড়া, চাপালপাড়া, ভাটিয়াপাড়া, চর গোবরা ও মোল্লারহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ঈদের আগে খাদ্য সহায়তা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সুবিধাবঞ্চিত বহু পরিবার। শুধু সাধারণ মানুষের মাঝেই নয়, বিভিন্ন মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত এতিম শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদাভাবে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
পুরো কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মুন্সি রাকিবুজ্জামান। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তালিকা প্রণয়ন করে পর্যায়ক্রমে এসব চাল বিতরণ করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদের আগে এম বদিউজ্জামানের এই সহায়তা অনেক অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। তাঁর এই উদ্যোগে এমন অনেক পরিবার ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, যারা অন্যথায় তা থেকে বঞ্চিত হতে পারত।
এ বিষয়ে এলাকার কিছু স্থায়ী বাসিন্দা বলেন, মুন্সি রাকিবুজ্জামান প্রতিবছর তাঁর প্রবাসী কাকার পক্ষ থেকে শুধু ঈদেই নয়, সারা বছরই এলাকার অসহায় মানুষের খোঁজখবর রাখেন এবং বিভিন্নভাবে সহায়তা করার চেষ্টা করেন।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় অবস্থিত অ্যাডভান্স জামান সেন্টারের কর্ণধার এম বদিউজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। প্রবাসে অবস্থান করলেও নিজ এলাকার মানুষের প্রতি তাঁর এই দায়বদ্ধতা স্থানীয়দের কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।

এ বিষয়ে এম বদিউজ্জামান বলেন,
“প্রবাসে থাকলেও আমার হৃদয় পড়ে থাকে নিজের এলাকায়। এলাকার অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে পারলে সেটাই আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ। সামর্থ্য অনুযায়ী ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো, ইনশাআল্লাহ।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ ধরনের মানবিক সহায়তা সমাজে সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেয় এবং অন্যদেরও মানবিক কাজে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করে। ঈদের আগে এমন উদ্যোগকে অনেকেই মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।