গফরগাঁওয়ে, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত।


দেশ সময় প্রকাশের সময় : ২০২৫-০৫-৩১, ১:১২ পূর্বাহ্ন /
গফরগাঁওয়ে, মহান স্বাধীনতার ঘোষক,  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

আয়নাল ইসলাম

ময়মনসিংহের গফরগাঁওউপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতার ঘোষক,শহীদ রাষ্ট্রপতি,জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ৬টায় গফরগাঁও বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়,

সকাল ১০ টায় নেতা-কর্মীদের কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়,দুপুর ১২ টায় কোরআন খানি ও দোয়া মাহফিল
বাদ জুমা দলীয় কার্যালয় হতে দোস্তদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন এ বি সিদ্দিকুর রহমান।

শুক্রবার (৩০,মে)গফরগাঁও উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, পাগলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে গফরগাঁও রেলস্টেশন চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গফরগাঁওয়ে আন্দোলন সংগ্রামের প্রাণপুরুষ দুঃসময়ের রাজপথের লড়াকু সৈনিক আলহাজ্ব এবি সিদ্দিকুর রহমান।

কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, সাদেকুর রহমানের সভাপতিত্বে,
বক্তব্য রাখেন
গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক, শাহ আব্দুল আল মামুন।
সাবেক যুগ্ন আহবায়ক জালাল উদ্দিন, সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শহীদুর রহমান
যুগ্ন আহবায়ক ফখরুল হাসান
পৌর বিএনপির সাবেক যুগ আহবায়ক,জাহিদ হাসান স্বপন। আলামিন জনি, শফিকুর রহমান, আমিনুল ইসলাম চঞ্চল, সাইফুল ইসলাম রিপন সহ প্রমোখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ বি সিদ্দিকুর রহমান বলেন
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী
দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন।

তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা। জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় থাকাকালীন বিএনপি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।

রাষ্ট্রপতি জিয়া খালকাটা কর্মসূচি, সবুজ বিপ্লব, শিল্প উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী ও আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন। নারী সমাজের উন্নয়ন ও শিশুদের বিকাশে তার আগ্রহ জাতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দেন। তার সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেম ছিল অতুলনীয়।