
প্রকাশিত
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি
সরকারি খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একপক্ষের দুইজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর ) বেলা আনুমানিক ১১ টার দিকে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের নলুয়াবাগী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় বুধবার গলাচিপা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। আহতরা হলেন, আজিজ শিকদার ( ৭৫) ও তার মেয়ে নাজমা বেগম (৪০)কে মারধর করে প্রতিপক্ষরা।এলাকাবাসী উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কতব্ররত চিকিৎসক তাদের অবস্থা আশঙ্কা জনক দেখে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে রেফার করে। আহত আজিজ শিকদার বলেন, সরকারি খালে মাছ ধরতে গিয়ে আমাদের একই এলাকার ইব্রাহিম আকন, জলিল আকন ও ফোরকান আকন একত্রিত হয়ে আমাদের বাড়ির উঠানে বসে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমাকে ও আমার মেয়েকে মারধর করে। পরে এলাকাবাসী আমাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি আরো বলেন, প্রতিপক্ষের সাথে আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ ছিল। আহত নাজমা বেগম বলেন, বাবাকে ও আমাকে এলোপাথাড়ি ভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তাদের হাতে থাকা দা দিয়ে বাবার মাথা উপর কোপ দেয়। আমারও মাথার উপর কোপ দেয়। আমরা অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই। পরে আমাদের ডাক-চিৎকারে এলাকাবাসী এসে পড়লে মারধর কারীরা পালিয়ে যায়। পুত্রবধূ জেসমিন আক্তার বলেন, আমার শ্বশুরকে দস্যু ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধর করেছে আমিও সঠিক বিচার চাই। কর্মরত চিকিৎসক ডাক্তার ইমরান বলেন, আমার চিকিৎসা দিনে আজিজ শিকদার ও নাজমা বেগম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি হয়েছে তাদের অবস্থা আশঙ্কা জনক দেখে পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল রেফার করেছি। প্রতিপক্ষ ইব্রাহিম আকন ও জলিল আকনের মুঠোফোনে একাধিকবার কলদিলে তাদের ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সাত নম্বর ওয়াডের ইউপি সদস্য মোঃ কাদের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ আকন বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি দুপক্ষকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মীমাংসার ব্যবস্থা করব। গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



