print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

সুমন ইসলাম, লালমনিরহাট

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের কম্পিউটার সনদ জাল ও ভুয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ফলে তার নিয়োগ বিধিসম্মত হয়নি। ফলে তিনি সরকারি বেতন ও ভাতাদি প্রাপ্য নহেন।
প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ২০০৪ সালের পহেলা এপ্রিল থেকে ২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৪ লাখ ৪২ হাজার ২০০ টাকা বেতন ও ভাতাদি গ্রহণ করেছেন।তা সরকারি কোষাগারে ফেরত যোগ্য।তাছাড়াও ২০২৪ সালের ৩০ জুনের পর থেকে এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ টাকা বেতন ও ভাতাদি নিয়েছেন তাও ফেরত যোগ্য।
২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাহাঙ্গীর আলম সহকারী শিক্ষক কম্পিউটার হিসাবে দুর্গাপুর হাইস্কুলে যোগদান করে।২০০৪ সালে পহেলা জানুয়ারি আর চাকুরী এমপিও ভুক্ত হয়।ইনডেক্স নাম্বার ১০০৩২১৫।

যোগদানকালীন সময়ে তার উপস্থাপিত কম্পিউটার সনদ ২০২৩ সালের ৩০ মার্চ তারিখে
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর যাচাইয়ের জন্য নেকটা কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করে। ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল নেকটা কর্তৃপক্ষ মাধ্যমিক শিক্ষা
অধিদপ্তরকে জানায়,যাচাইয়ের জন্য প্রেরিত সার্টিফিকেটটি সঠিক নয়। এটি জাল ও ভুয়া। স্বারক নাম্বার (৫৭,২১,০০০০,০০৭,৩৬,০০২,২৩,১৯০,)।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালে সরকার মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে সহকারী শিক্ষক কম্পিউটার পদ সৃষ্টি করেন।এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে হাজার হাজার জাল ও ভুয়া কম্পিউটার সার্টিফিকেট দিয়ে সহকারী শিক্ষক কম্পিউটার পদে নিয়োগ দেয়া হয়। ২০০১ সালে ও তদ পরবর্তীতে স্কুল কমিটির মাধ্যমে নিয়োগকৃত সহকারী শিক্ষক কম্পিউটারদের উপস্থাপিত সনদ গুলো যাচাই-বাছাই করলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।