print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

মোঃ শিহাব উদ্দিন , গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি। 

গোপালগঞ্জে আধুনিক ও মানসম্মত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও চিকিৎসক ডা. কে এম বাবর। তিনি বলেছেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলার রোগীদের এখনো খুলনা কিংবা ঢাকায় যেতে হয়। ফলে রোগীর পরিবারকে বাড়তি আর্থিক চাপ বহন করতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক অবস্থারও অবনতি ঘটে।

শনিবার বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএইচসিডিএ), গোপালগঞ্জ জেলা শাখার বার্ষিক সাধারণ সভা ও দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা শাখার সভাপতি ডা. বি এম মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলন সঞ্চালনা করেন ডা. গৌতম কুমার বাগচী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডা. মো. মুরসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস (ডাম্বেল), গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এবং অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবির।

ডা. কে এম বাবর বলেন, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষ জনবল এবং উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তির সমন্বয়ে গোপালগঞ্জেই উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। এ জন্য বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ২৯ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. কে এম বাবর এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ময়েনুর রহমান হিটু।

কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সহসভাপতি ডা. বি এম মনিরুজ্জামান, ডা. গৌতম কুমার বাগচী ও কাজী শাহিনুর রশিদ শাহিন; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এনামুল হক মুনীর; কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলিম; সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টু শিকদার; দপ্তর সম্পাদক ডিএইচএম তোফাজ্জল হুসাইন; সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবু ওবায়েত মোল্লা এবং প্রচার সম্পাদক তন্ময় কুমার বালা মিহির।

অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক, চিকিৎসক, উদ্যোক্তা ও স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জেলা বিএনপির নেতা এস এম আজিজুর রহমান বেনা, সদর বিএনপির সভাপতি শিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন হিরা, জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন লিপটনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।

সম্মেলনে বক্তারা স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে একটি সুস্থ, আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।