
প্রকাশিত,০৭, মার্চ,২০২৪
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের,ধর্মর্তীথ দৌওলত পাড়া গ্রামে কবিরাজীর নামে,চলছে প্রতারণার ফাঁদ।দ্বীন ইসলাম ভন্ড কবিরাজের ঘরে চলছে কবিরাজির নামে মেয়েদের সাথে অস্লীলতা ও বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কর্মকান্ড।
দ্বীন ইসলাম,কবিরাজীর নামে মেয়েদের সাথে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে লিপ্ত,সে বেশ কয়েকটি বিবাহ করে,তাহার বহু স্ত্রীর মধ্যে দুই স্ত্রী সংবাদ কর্মীদের কাছে অভিযোগ জানাইলে,গত শুক্রবার ১ ই মার্চ ২০২৪ তারিখে সরজমিনে গিয়ে জানা যায়,কবিরাজ দ্বীন ইসলাম তার নিজস্ব বাড়ির ঘরের মধ্যে আস্তানা গড়ে তুলেছে,কবিরাজীর নামে গরীব নিরহ মানুষদের ঠকিয়ে চিকিৎসার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।হঠাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন তিনি।
এমন চাঞ্চলকর ঘটনার তথ্য উঠে আসে ২৪ ঘন্টা টেলিভিশনের অনুসন্ধানী টিম এর কাছে,এমন চাঞ্চলকর ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায় সে এক বিখ্যাত কবিরাজ তাকে সবাই ভয় পায়,কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললে তাকে সে কুফুরি করে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।ভন্ড কবিরাজ দ্বীন ইসলামের রয়েছে একাধিক স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান,এর মধ্যে জানা যায় দুই জন স্ত্রীর কাবিন নামা নেই,সে কুফুরি করে বিয়ে করে বলে জানা যায়।
বিশেষ করে এই আস্তানাটি দ্বীন ইসলাম কবিরাজ ও তার সহযোগী রতনের আসন হিসেবে এরই মধ্যে আলোচিত হয়েছে গ্রামটির মধ্যে। বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা একাধিক রুগীর সাথে প্রতারনা করেছে কবিরাজ দ্বীন ইসলাম ও তার সহযোগী রতন।এমন তথ্যের অনুসন্ধানে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,দ্বীন ইসলাম ও তার সাথে থাকা সহযোগী রতন,মহন,ইকরাম,আলমসহ স্থানীয় কিছু নেতাদের ছত্রছায়ায় এসব ভন্ডামি করে আসছিল তারা।
উক্ত অনুসন্ধানের আরও জানা যায়,দ্বীন ইসলামের বাবা ও দাদা নৌকার মাঝি ছিল,সে অল্প দিনে আংগুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে,জানা গেছে সে বর্তমানে কোটি টাকার মালিক,অল্প দিনে গড়ে তুলেছে বাড়ি,গাড়ি,দোকান পাটসহ আরও অনেক কিছু।ভন্ড কবিরাজের বাড়ি,গাড়ি,দোকানপাট গড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন কিছু না বলে অন্যদিকে চলে যান।
উক্ত ভন্ড,দ্বীন ইসলাম কবিরাজীর নামে মেয়েদের সাথে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে লিপ্ত,সে বেশ কয়েকটি বিবাহ করে তাহার বহু স্ত্রীর মধ্যে দুই স্ত্রী সহ আরো অনেকে সংবাদ কর্মীদের কাছে অভিযোগ জানাইলে,সততা যাচাই করার জন্য ১ ইং মার্চ ২০২৪ তারিখে অনুমান ৫ ঘটিকার সময় কয়েকজন সংবাদ কর্মী সরজমিনে উপস্থিত হইয়া কবিরাজের সাথে কথা বলে।তখন সংবাদ কর্মীদের তথ্য সংগ্রহের কৌশল হিসাবে সাথে থাকা মহিলা সংবাদ কর্মী কে ভন্ড কবিরাজ দ্বীন ইসলামের কথা মতো তাহার পাশের কক্ষে পাঠায়। সে কবিরাজি চিকিৎসার নামে মহিলা সংবাদ কর্মীর কে তাহার চিকিৎসার নামে গায়ে হাত দেয়। তখন রোগী সাজা মহিলা সংবাদ কর্মী দ্বীন ইসলামের আচরন সন্দেহ জনক মনে করিয়া তার সাথে দস্তা দস্তী করে,এক পর্যায়ে চিৎকার দিয়ে উঠলে পাশের কক্ষে থাকা বাকি সংবাদ কর্মীগন দৌড়িয়া যাইয়া উক্ত সংবাদ কর্মীকে রক্ষা করে। তখন ভন্ড কবিরাজ দ্বীন ইসলাম মহিলা সংবাদ কর্মীর হাতে থাকা একটি স্যামসং মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলে।মোঃ রতন মিয়া,মোঃ মহন মিয়া এবং নাম না জানা আরও অনেকই দ্বিন ইসলামের পক্ষ নিয়ে ঝগরা সৃষ্টি করে ও অশ্লীল ভাবে গালাগালি করে এবং হাতে থাকা লাঠি সোটা নিয়ে খুন করবে বলে হুমকি দেয়। তারা আরও বলেন,এই কবিরাজির বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করিলে কিংবা নিউজ অথবা আইনের আশ্রয় নিলে পরবর্তীতে খুন করিয়া ফেলিবে। এমতাবস্থায় সংবাদ কর্মীগন নিজেদের রক্ষাতে ভন্ড কবিরাজ এর আস্তানা ত্যাগ করে সরাইল থানায় এসে অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইমরান ইসলাম এর সাথে কথা বলে,এবং উক্ত থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।যাহার নং – ০৫
এদিকে এলাকার সচেতন নাগরিকগন সাধারণ মানুষের সাথে প্রতরনাকারী ভুয়া কবিরাজ দ্বীন ইসলাম কে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে প্রসাশনের সু দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। (পর্ব -১ চলমান)


