print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৬,মে,২০২৩

জাহাঙ্গীর আলম মুকুল
খুলনাঃ

“মৎস্য আইন মেনে চলুন সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ দিন ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে।

খুলনা ডুমুরিয়ায় সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কতৃক যেকোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকা উপলক্ষে। সামুদ্রিক মৎস্য সংরক্ষণ ও টেকসই আহরণের জন্য সচেতনতা সভা ও বিশেষ ভিজিএফ এর চাউল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ডুমুরিয়া মৎস্য দপ্তর ও ৫নং আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে, উপজেলার ৫নং আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শরীফ আসিফ রহমান’র সভাপতিত্বে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোঃ আবুবকর সিদ্দিক’ সার্বিক সঞ্চালনায়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা মৎস্য অফিসার জয়দেব পাল, বক্তব্য রাখেন বটিয়াঘাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মামুনুর রহমান, আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন। আলোচনা সভা শেষে ১৮৫ জন মৎস্যজীবীদের মাঝে বিনামূল্যে জন প্রতি ৫৬কেজি করে ভিজিএফ এর চাউল বিতরণ করেন।

এসময় বক্তার বলেন গত বছরের ন্যায় এবারও বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য সম্পদ রক্ষায় প্রজনন মৌসুমে আগামী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন যেকোনো প্রজাতির মাছ শিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য মোট ৬৫ দিন সব ধরণের মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোনো প্রজাতির মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে।

সভায় আরও জানানো হয়, নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে তিন লাখ ১১ হাজার ৬২ জন সমুদ্রগামী জেলের জন্য প্রথম ধাপে ১৭ হাজার ৪১৯ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় ভিজিএফ-এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহায়তার প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করবে।