
প্রকাশিত,২২, ডিসেম্বর,২০২২
বরিশাল (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি//
বীরমহল সেচ প্রকল্প” নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগে তদন্ত টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বুধবার সকালে রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বীরমহল গ্রামের সেচ প্রকল্পের চলমান সমস্যা নিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন পূর্বক বেরমহল হাসান মেমোরিয়াল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে উভয় পক্ষদ্বয় নিয়ে বসেন তদন্ত টিম।
ঝালকাঠী সদর উপজেলার বানারীপাড়ার সীমান্তবর্তী ১ নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বেরমহল সেচ স্কিম ২ এর কৃষকদের মধ্যে গত বছর পানি সঠিকভাবে বন্টন না করা এবং সেচ চলাকালীন সময় সেচ ম্যানেজার তারিকুল ইসলাম হারুন’র মামলা দিয়ে হ্যান্ডেল জব্দ করার ৮ দিন পর কৃষকরা হ্যান্ডেল ফিরে পায় এতে কৃষকদের অনেক ক্ষতি হয়। ঐ সময় বর্তমান মেম্বর এনামুল হক কৃষকদের পাশে দাড়ায় এবং হ্যান্ডেল ফেরত পেতে সহায়তা করে । ।
গত ৫ বছর পাম্প মেশিন চালক শাহ আলম নিজ দায়িত্বে সুন্দর ভাবে সকল কৃষকদের জমিতে পানি সরবরাহ করেছে। শাহ আলমের দাবী গত ৫ বছরে ব্লোক ম্যানেজার তারিকুল ইসলাম হারুন ব্লোকের কোন খোজ খবর নেননি। উপস্থিত কৃষকদের অধিকাংশের দাবী তারা ব্লোক ম্যানেজার হিসেবে হারুন মেম্বরকে নয় এনামুল হক জহিরুল মেম্বরকে চায়। পাশাপাশি পাম্প চালক শাহ আলমকে পুনরায় পাম্প চালক হিসেবে সকল কৃষকই তাদের পাশে চাচ্ছে। চলমান বিবাদকে কেন্দ্র করে কৃষকদের যাতে কোন ধরনের সমস্যার সম্মূখীন না হয় তার জন্য চলমান সমস্যা সঠিক ভাবে তদন্তে আসেন কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা কৃষিবিদ জনাব খাদিজা, ১ নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা মাছুম শেরওয়ানী, সহকারী প্রকৌশলী বি এ ডিসি মোঃ রবিউল ইসলাম, সহকারী কৃষিসম্প্রসারন কর্মকর্তা গোবিন্দ পাল কুন্ডু, উপ সহকারী প্রকৌশলী, বি এডি সি শাহেদ আহম্মেদ চৌধুরী,উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা যুথিয়া ব্লক’র আক্তার হোসেন। এ বিষয়ে বর্তমান মেম্বর এনামুল হক জহিরুল বলেন গত বছর যেহেতু আমার ওয়ার্ডের কৃষকদের ক্ষতি হয়েছে।
আমি জেনে শুনে আবার ও সে ক্ষতি হতে দিতে পারি না। তাই কৃষকরা আমাকে চাইলে আর কর্তৃপক্ষ আমাকে দায়িত্ব দিলে আমি কৃষকদের জন্য সর্বোচ্চ ভালো করার চেষ্টা করবো। তবে আমাকে না দিলেও আমার কোন আপত্ত্বি নেই কিন্তু যার জন্য আমার কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেই হারুন মেম্বর দিলে আমার আপত্ত্বি আছে। তাকে বাদে যে কেউকে দিক আমাদের কোন আপত্ত্বি নেই। ১ নং গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা মাছুম শেরওয়ানী বলেন আমি কৃষকদের নিয়ে খুবই চিন্তিত। চেয়ারম্যান হিসেবে তাদের ভালো মন্দ দেখার দায়িত্ব আমার। এখন কৃষকরা যাকে চাইবেন আশা করি অধিদপ্তর তাকেই দায়িত্ব দিবেন।
তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। সেখানে আমি ও কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাতে তাদের চাওয়া পাওয়া পূর্ন করতে তাদের পাশে থাকবো। যেহেতু কৃষকদের ভালো মন্দ দেখার দায়িত্ব আমাদের পাশাপাশি কৃষি দপ্তরেরও। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা কৃষিবিদ জনাব খাদিজা বলেন আমরা তদন্ত করে রিপোর্ট দিব। কৃষকদের নাম ও মোবাইল নাম্বার নিয়েছি। তাদের বক্তব্য নেয়া হবে। তারপর উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত দিবেন।


