
প্রকাশিত,০৩,আগস্ট,২০২১
সজীব সরকার, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ
চলমান কঠোর লকডাউনে খাদ্য অভাবে পড়ে বিভিন্ন সময়ে ৩৩৩ নম্বরে কল দিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার ৪০০র অধিক পরিবার। ৩৩৩ থেকে মুক্তাগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে খাদ্যসামগ্রী প্রদানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।
খাদ্যসামগ্রীর প্রত্যেক প্যাকেটে চাল, ডাল, লবন ও তেল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে।
মুক্তাগাছার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মনসুর জানান চলমান কঠোর লকডাউনে খাদ্য অভাবে পড়ে বিভিন্ন সময়ে ৩৩৩ নম্বরে কল দিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছে মুক্তাগাছার ৪০০ এর বেশি পরিবার।
ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মনসুর আরও বলেন, ‘আমরা ৩৩৩ নম্বরটি প্রচার করেছি। কেউ খাদ্যকষ্টে থাকলে ফোন করলে তাঁকে তালিকাভুক্ত করে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। তবে ৩৩৩ এ কল করলেই খাদ্য সহায়তা পাবে এমনটি নয়। প্রথমত দেখা হয় কলকৃত ব্যক্তি বা পরিবারটি করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কিনা বা খাদ্য কিনতে অসামর্থ কিনা। পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে অনেক সামর্থবান ব্যক্তি বা পরিবারও ৩৩৩ এ কল দিয়ে খাদ্য চেয়েছে। এই পর্যন্ত ৪০০ এর অধিক পরিবারকে যাচাই বাছাই করে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ১০০ এর মত কল যাচাই বাছাই এ আছে এবং সেই সাথে বিতরণ কার্যক্রম ও চলমান আছে।
এই বিষয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, কর্মহীন হয়ে পড়া দরিদ্র মানুষকে মানবিক সহায়তা দিতে সরকার ৫০০ কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এতে প্রায় ১ কোটির বেশি পরিবার উপকৃত হবে। করোনাসহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে সব সময়ই টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। এর মধ্যে ‘এ’ শ্রেণির জেলার জন্য তিন লাখ টাকা, ‘বি’ শ্রেণির জন্য আড়াই লাখ টাকা এবং ‘সি’ শ্রেণির জেলার জন্য দুই লাখ টাকা করে মজুত রাখা হয়, যা জেলা প্রশাসকেরা যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যয় করতে পারেন। পৌরসভায় ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোতেও টাকা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি দেশের সব সিটি করপোরেশনের অনুকূলে শিশুখাদ্য কিনতেও আরও টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।