print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,১৫,মে,২০২১

রাকিবুল হাসান আহাদ, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সোহেল রানা নামে এক আওয়ামীলীগ নেতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষ।

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের নাইন্দাসাঙ্গুন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সোহেল রানা উপজেলার নাইন্দাসাঙ্গুন এলাকার মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। সে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপ কমিটি সদস্য।

পরে এই ঘটনায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে শ্রীপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী সোহেল রানা।

অভিযুক্তরা হলেন উপজেলার নাইন্দাসাঙ্গুন এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আজিজুল ইসলাম মিঠু (৫০) একরামুল ইসলাম লুটাস(৪৬) ও একই এলাকার মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব হাফিজ উদ্দিনের ছেলে জহির উদ্দিন। জহির উদ্দিন সোহেল রানার আপন বড় ভাই।

সোহেল রানা বলেন, আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে নিজ বাড়ী থেকে নানুর বাড়ীতে যাওয়ার পথে পরিকল্পিত ভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে আক্রমণ করে,আমার সঙ্গে ছিলো (১০) বছরের ছেলে লাবিব, (৩) বছরের মেয়ে শাহিরা, ছোট বোন হুমাইরা এবং ভগ্নিপতি অপি। তাদের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী এসে আমাকে উদ্ধার করে। আজিজুল ইসলাম মিঠু বহুবার আমাকে মেরে ৪৪ টুকরো করে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে।

কাওরাইদ ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, আজিজুল ইসলাম মিঠু ২৯ মে ১৯৯২ ইং সালে আজিজুল হককে হত্যা করে, সে হত্যা মামলার আসামি। আমি এই হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী।
স্থানীয় গ্রামবাসী সোহাগ,বাদল ও মনির হোসেন জানান, সে নারী নির্যাতন মামলার আসামি,

অভিযোগ সুত্রে জানা যায় ,পারিবারিক শত্রুতার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই সোহেল রানাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল অভিযুক্তরা।
সোহেলের বড় ভাই অভিযুক্ত জহির উদ্দিনে ইন্ধনে শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে আজিজুল ইসলাম মিঠুর বাড়ির পাশে দেখতে পেয়ে তার উপর হামলা চালায়। এসময় সোহেলের চিৎকার শুনে লোকজন ছুটে আসলে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে আজিজুল ইসলাম মিঠু বলেন, আমি তাকে মারধর করিনি।
আমাদের পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কা-ধাক্কি হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সোহেল আমার বাড়িতে এসে হামলা চালিয়েছে।

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক এসআই প্রদীপ চন্দ্র সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,এ ঘটনায় উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ করেছে। ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।