
প্রকাশিত,২৯ এপ্রিল, ২০২১
মিরসরাই রিপোর্টার :
চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই থানার ১৩নং মায়ানী ইউনিয়নের সাবেক ছাএলীগ নেতা ও কিশোর গ্যাং লিডার ফারুকের অত্যাচার ও নির্যাতনে শিকার অএ এলাকার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সহ সাধারণ মানুষ।
৬নং ওয়াডের মুক্তিযোদ্ধা এমএইচ আব্দুর রহমান মিস্ত্রির সন্তান র্বতমান ইউপি সদস্য জনাব শামসুদ্দোহা গনমাধ্যমকে জানান, কিশোর গ্যাং লিডার ফারুক বাহিনী অত্যাচার আমাদের এলাকায় থাকতে কষ্ট হচ্চে, শুধু আমাদের পরিবার নয় প্রায় ওয়াডের সাধারণ মানুষ হুমকি মুখে, চাদাঁ বাঁজি ভৃমিদ্যৃশ্য সহ বিভিন্ন মাদক কারবার সহ অপরাধের সাথে জড়িত,
আবার এই দিকে মায়ানী বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য আলি আকবর বর্তমানে আবুতোরাব বাজারের ব্যাবসায়ী জানান, আমাকে ও হামলা করেন ও চাঁদা দাবী করেন, সেটা ইউনিয়নের প্রতানিধি ও গন্যমান্য ব্যাক্তিদের কে জানালে সেই ক্ষিপ্ত হয় একপর্যায়ে ফারুক গ্যাং ইব্রাহিম, সাজ্জাদ,রকি,অপু,সহ নাম না জানা কিশোর, আমার মাথায় ৬সেলাই করা হয়,
শুধু আকবর ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান না
আরো অনেকেই একে একে বেরিয়ে আসছে ফারুক গং এর অত্যাচারের কথা, সরজমিনে গিয়ে দেখা যাই, আরো অপরাধ ফারুক বাহিনীর, নিয়াজুল করিমের জোরপূর্বক জায়গা দখল করতে চাইলে সাবেক নেতা ফারুক তখন থানায় কল করন নিয়াজুল করিম, একপর্যায়ে থানা থেকে পুলিশ ফারুক কে ফোন করেলে সেই চওড়া হয়ে যাই নিয়াজের সাথে, তাকে গুলি করার হুমকি প্রধান করেন, নিয়াজুল করিম সেটা উক্ত পরিষদ জানালে,চেয়ারম্যান কে ওনি থানা জিডি করতে বলেন, পরে ওনার সন্তান ফরহাদ থানায় অভিযোগ করেন, সুষ্ঠুভাবে বিচারের হাহা কার করিমের পরিবারের লোক।
সাংবাদিকদের জানান,মো:মহিনপূর্ব মায়ানী মোল্লা বাড়ীর ছেলে, রাজনৈতিক ইসু ধরে তাকে মারধর করে বেধম আকারে, শুধু সাধারণ মানুষ না পাশের ইউনিয়নের মঘাদিয়ার সাবেক ছাএ নেতা কায়য়ুম সহ ছাএলীগের পায়েল কে হত্যার উদ্দেশ্যে রড দিয়ে আঘাত করেন,
ফারুক গ্যাং শুধু মায়ানী নয় পুরা আবুতোরাব বাজার এলাকা বিস্তার, অএ এলাকার ও বাজারের কিছু ব্যাবসায়ীরা বলেন, কিশোর গ্যাং লিডার ফারুক বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ আমরা সবাই ফারুক কিছু দিন আগে জেলে তাকাতে আমরা শান্তিতে ছিলাম, সেই জেল থেকে এসে আবার বিভিন্ন অপরাধ সাথে জড়িত হয়ে এলাকায় অশান্তি ও পুরো মায়ানী যেন ক্রাইমের রাজ্য গড়ে তুলেছে।
আমরা প্রশাসন ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তার দেরকাছে জোর দাবী জানাচ্ছি ,এই গ্যাং থেকে মুক্তির জন্য,
এই গ্যাং দ্বারা হাজার ও স্কুল পড়ুয়া ছাএ অপরাধের দিকে যাচ্ছেন,
এই দিকে অএ মায়ানী ইউনিয়নের প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ করলে ওনি গনমাধ্যমকে জানান, আইনি ভাবে আমরা প্রদক্ষেপ নিয়েছি, তাছাড়া ও ওসব অপরাধের হোতা বারবার জেলে যাই,আবার পরবর্তীতে জামিনে ছাড়া পেয়ে,
আবার বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ে।
এইদিকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারসহ অত্যাচার ওনির্যাতনের শিকার সাধারণ মানুষের দাবি কিশোর গ্যাং থেকে মুক্তির আকুতি।


