
প্রকাশিত,৭ এপ্রিল, ২০২১
বিষেশ প্রতিনিধিঃ-
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) পাবনা জেলা শাখার বিএনপির রাজনীতির রয়েছে একটি ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস।আঞ্চলিক রাজনীতির পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতে বহুমুখী ভাবে অবদান রেখেছে এ জেলার সাবেক ও বর্তমান অনেক রাজনীতিবিদরা। সবশেষ মরহুম অবঃ মেজর খন্দকার সুলতান মাহমুদ স্যারের মৃত্যুর পরেই ভাটা পড়েছে পাবনা জেলা বিএনপির যৌবন ও জৌলুসে।
এ জেলার কৃতি সন্তান এড শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী হওয়ার দরুন নানা ব্যস্ততায় তিনি পাবনা জেলার রাজনীতিতে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পেরে বিশ্বাস করে যার হাতেই জেলার দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন তিনিই যেন রাবন সেজেছেন।সর্বশেষ রাবন হলেন আওয়ামিলীগ থেকে বিতাড়িত তথাকথিত মহানায়ক পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। পাবনা জেলা বিএনপির একাধিক নেতা ও বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্ব শীল কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন হাবিবুর রহমান হাবিব জেলা বিএনপির দায়িত্ব পাওয়ার পরই তিনি পদ বাণিজ্য,পৌরসভা নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য,পছন্দের অযোগ্য ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ পদে পদায়ন,দলের মধ্যে আত্মীয়করণ,যোগ্য ব্যক্তি থাকা সত্বেও ব্যক্তিগত ক্ষোভের জেরে কমিটি থেকে নাম বাদ দিয়ে দিতেন।
কেন্দ্রের প্রভাব খাটিয়ে যুবদলের কমিটি স্থগিত করণ।
পাবনা জেলা বিএনপি তৃণমূলের একাধিক দায়িত্ব শীল নেতা-কর্মীর সাথে একান্ত আলাপ কালে তারা ক্ষোপ প্রকাশ করে কথা গুলো বলে ও সিনিয়র নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কিছু পরামর্শ ও দেন।
* বিএনপির দুঃসময়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভরসাস্থল।
* যিনি যুগ যুগ ধরে রাজনীতির পিছনে ছুটেছেন কিন্তু পদের পিছনে ছোটে নাই।
* যিনি সকল গ্রুপ রাজনীতির উর্ধে থেকে প্রতিটি কর্মীকে প্রেরণা যোগান।
* রাজনৈতিক মামলা হামলায় অর্থ সহায়তা প্রদানে কখনো কার্পন্যতা করেননা।
* তৃনমুল পর্যায়ের কর্মীদের পাশেই যাকে সর্বদা পাওয়া যায়।
ঈশ্বরদী- আটঘরিয়ার গণমানুষের নেতা, জননেতা আকরাম আলী খান সনজু (সনজু খান)কে জেলা বিএনপির সর্বোচ্চ পদ দিলে সৃষ্ট এই সংকট থেকে দলের উত্তরন ঘটবে এবং প্রকৃত সংগঠকের হাতেই সংগঠনের দায়িত্ব প্রদান করলে দল হবে শক্তিশালী তাই মনে করেন স্থানীয় নেতার।


