
প্রকাশিত,৫ এপ্রিল, ২০২১
মো:রফিকুল ইসলাম,নড়াইলঃ
নড়াইলে মানব পাচারের অভিযোগে ২ জন কে আটক করেছে পুলিশ,এ বিষয়ে কালিয়া থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ আইন-২০১২ মামলা দায়ের।
(৪এপ্রিল) রবিবার নড়াইল পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় এক প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানান,এ সময় জেলা পুলিশের পদস্থ্য কর্মকর্তাগনসহ ভিকটিম ও আটককৃত আসামীরা উস্থিত ছিলেন।মামলার বিবরণে জানা যায়,নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার খড়রিয়া গ্রামের ভ্যান চালক মো:জালাল শেখ (৪০) এর মেয়ে মালিনা (১২ ) এবং তার পাশের বাড়ীর অন্তরা আক্তার টুকটুকি (১৩) কে বিয়ে ও ভালো কাজের প্রলভোন দেখিয়ে গত ১ লা এপ্রিল তাদের দুজনকে খড়ড়িয়া গ্রামের মো:রাজ্জাক মোল্যার ছেলে মো:জসীম মোল্য (১৬) তার প্রেমিকা অন্তরা আক্তার টুকটুকি (১৩ কে ফোন করে কাউকে না জানিয়ে মালিনাকে নিয়ে বাড়ী থেকে বের হয়ে ঢাকার উদ্যেশ্যে আসতে বলে।পরে তারা ঢাকার উদ্যেশ্যে রওনা দিলে পথি মধ্যে জসিম ফোন করে লোহাগড়া আসতে বলে এবং জসিমের মামা এনামূল শেখ (২০) কে তাদের নিয়ে যেতে বলে।এনামুল তাদের নিয়ে গিয়ে লোহাগড়ার পারভেজ সুপার আইসক্রীম ফ্যাক্টরিতে রাতে রেখে পরদিন জসিম ও এনামূল তাদের হাতে ২০০ টাকা দিয়ে খুলনার গাড়ীতে উঠিয়ে দিয়ে ফুলতলা চৌরঙ্গী হোটেলে চলে যেতে বলে।তারা ফুলতলা বাসষ্টান্ডে নেমে চৌরঙ্গী হোটেল সামনে এনে চৌরঙ্গী হোটেলের ম্যানেজার মামলার ৩ নং আসামী মো:আনাস শেখ (১৫ ) ও ৪ নং আসামী শুকুর আলী তাদেও সাথে কথাবার্তা বলে হোটেলের উদ্দ্যেশ্যে রওয়া দেয়।পথিমধ্যে কিছু লোকের তাদের কথাবার্তা সন্দেহ হলে তারা ফুলতলা পুলিশকে খরর দেয়।ফুলতলা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হোটেলে ম্যানেজারকে আটক করে,পরে তার তথ্য মতে মূল হোতা জসিমকে আটক করে।
এর আগে মালিনা (১২) এর বাবা মো:জালাল শেখ (৪০) তার মেয়ে হারানোর বিষয়ে কালিয়া থানায় জানালে কালিয়া থানা পুলিশ খোঁজ খবর নিয়ে ফুলতলা পুলিশের কাছে তারা আছে জানতে পেরে মো:জালালকে নিয়ে কালিয়া থানা পুলিশ ফুলতলা থেকে তাদের নিয়ে আসে এবং এ বিষয়ে কালিয়া থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৭/৮ ধারায় ৩ এপ্রিল মামলা ৪ জন আসামীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।


