print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

সুমন ইসলাম
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাট সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করে নোটিশ ছাড়াই জমি মাপজোখ এবং এক ব্যক্তির জমি অন্য ব্যক্তিকে বুঝিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধ ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগের বিষয়ে সদর উপজেলা এসিল্যান্ড কার্যালয়ের সার্ভেয়ার জাহাঙ্গীর হোসেন ও ক্রেডিট চেকিং কাম-সায়রাত সহকারী (সিএ টু এসিল্যান্ড) রাশিদুল ইসলামের নাম উঠে এসেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, জমি মাপজোখের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে কোনো ধরনের নোটিশ না দিয়েই পরিমাপের কাজ করা হয়। এ সময় ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগও করা হয়েছে। জমির সীমানা নির্ধারণ ও দখল বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় এমন অনিয়ম হয়ে থাকলে তা নিয়ে বিরোধ আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়ভাবে জমি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এক পক্ষের জমি অন্য পক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। এতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মচারীর বক্তব্য, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তদন্ত হয়েছে কি না এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি ভূমি কার্যালয়ের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে জমি মাপজোখ ও সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিধিবিধান অনুসরণ এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।