
প্রকাশিত,২০, এপ্রিল,২০২৩
মুরাদনগর(কুমিল্লা)প্রতিনিধিঃ
দেশের সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার রেজাউল করিমের মুরাদনগর টিমের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও মাসিক বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদের অপরপাশে অরেঞ্জ ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্টের মিলনায়তনে উক্ত সেমিনার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সোনালী লাইফের ইউনিট ম্যানেজার রফিকুল ইসলামের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসাইন, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী লাইফ ইন্সুইরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের সিনিয়র ইউনিট ম্যানেজার শাহিন আলম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিট ম্যানেজার মো: মাসুক মিয়া, সিনিয়র ফিনান্সিয়াল এসোসিয়েট আবুল হোসেন প্রিন্স। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর উপজেলার সকল ফিনান্সিয়াল এসোসিয়েটগণ ও আমন্ত্রিত মেহমানগণ।
প্রধান আলোচক শাহীন আলম বক্তব্যে তুলে ধরেন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কিছু এক্সক্লুসিভ অর্জন ও সোনালী লাইফের অভিভাবক, স্বপ্নদ্রষ্টা এবং প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের বীমাশিল্পের সঙ্গে গত ৩৫ বছর ধরে সম্পৃক্ততা। তার মনের মনিকোঠায় স্বপ্ন ছিল একটি আদর্শ জীবনবীমা কোম্পানি করবেন। সেই চাওয়া থেকেই সোনালী লাইফ প্রতিষ্ঠা হয়।
তিনি আরো বলেন, আমাদের আরেকজন অভিভাবক মীর রাশেদ বিন আমান। দেশের বীমা খাতের অতিপরিচিত নাম। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন একাউন্টিং ও ম্যানেজমেন্টে। তবে, প্রযুক্তিতে রয়েছে তার অগাধ পাণ্ডিত্য। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চতুর্থ প্রজন্মের বীমা কোম্পানি সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের শুরু থেকেই তিনি কাজ করছেন। প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) হিসেবে কাজ শুরু করলেও তার ইনোভেটিভ আইডিয়া, স্ট্রং পারসোনালিটি আর দক্ষ নেতৃত্বগুন তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে কোম্পানির শীর্ষ পদে। বর্তমানে তিনি কোম্পানিটির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) দায়িত্ব পালন করছেন।
মীর রাশেদ বিন আমানের নেতৃত্বে সোনালী লাইফের গ্রস প্রিমিয়াম ছাড়িয়েছে ৬১৪ কোটি টাকার বেশি। মোট সম্পদ ৭১৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকার বেশি। লাইফ ফান্ড রয়েছে ৫৭১ কোটি ৯৫ লাখ টাকার। সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটিকে তিনি নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। অসামান্য দক্ষতা দেখিয়ে ইতিমধ্যে পরিচিতি পেয়েছেন ক্যারিশমাটিক লিডার হিসেবে।
দক্ষ ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে অত্যন্ত স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দক্ষতার সাথে এটি পরিচালিত হওয়ার কারণে ইতোমধ্যে দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে, ২০২১ সালের দক্ষিণ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডের মাঝে এক্সপার্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২১ এবং সাসটেইনেবল ইন্সুরেন্স কম্পানি ইন প্রাইভেট সেক্টর অ্যাওয়ার্ড-২০২১(টেকসই বীমা কোম্পানি এওয়ার্ড) অর্জন করে।
২০২১ সালে দেশের মাটিতে আইসিএসবি ও আরটিভি কর্তৃক পৃথক আরো ২টি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন সোনালী লাইফ। ৮ম আইসিএসবি ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড-২০২০ এবং বেস্ট রাইজিং লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি ইন প্রাইভেট সেক্টরে আরটিভি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। আবার, দক্ষিণ এশিয়া বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২ এ অর্জন করে একই সঙ্গে ৪টি আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড।
যে সব ক্যাটাগরিতে সোনালী লাইফ এই অ্যাওয়ার্ড গুলো অর্জন করেছে,সেগুলো হচ্ছে, ১/বেসরকারী খাতে সেরা বীমা কোম্পানী, ২/বীমা খাতে আইটি ও প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার, ৩/বীমা খাতে অসামান্য তরুন নেতৃত্বের শ্রেষ্ঠত্ব, ৪/বীমা খাতে মোবাইল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার।
তাছাড়া, ২০২২ সালে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ব্যবসার সফলতার স্বীকৃতি স্বরূপ আন্তর্জাতিক মানের ক্রেডিট রেটিং এএ+ অর্জন করেন।
সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ৪র্থ প্রজন্মের বীমা কোম্পানি গুলোর মধ্যে সর্ব প্রথম অতি অল্প সময়ের মধ্যে দাপটের সাথে শেয়ার বাজার প্রবেশ করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা সহ গ্ৰাহকদের সবোর্চ্চ রেকর্ড বোনাস প্রদান করে।
বাংলাদেশে প্রথম মেয়াদ পূর্তির টাকা ডিউ-ডেটে বা নির্ধারিত তারিখে প্রাপ্তির ১০০% নিশ্চয়তা প্রদান করে। মৃত্যুদাবিসহ যেকোন সহযোগী বীমা দাবি সবোর্চ্চ রেকর্ড ৭দিনের প্রাপ্তির নিশ্চয়তা প্রদান করে।
সোনালী গ্ৰাহকের প্রিমিয়াম জমা প্রদান ও গ্ৰাহকের পেমেন্ট প্রাপ্তিতে হাতে-হাতে অর্থ লেনদেন প্রথা বাতিল করে ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে অনলাইনে সকল সেবা প্রদান নিশ্চিত করে। সোনালী লাইফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব মীর রাশেদ বিন আমানের গতিশীল নেতৃত্বে সোনালী লাইফ সকল বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে এগিয়ে যাচ্ছে, তার অভীষ্ট লক্ষ্যে।


