বিএনপি নেতার আড়ালে ভয়ঙ্কর প্রতারক নাজমুল,


দেশ সময় প্রকাশের সময় : ২০২৫-১২-২৮, ৭:৫৭ অপরাহ্ন /
বিএনপি নেতার আড়ালে ভয়ঙ্কর প্রতারক নাজমুল,
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

বিএনপি নেতা নাজমুল হাসান ।বিএনপি পরিচয়ে প্রতারণা চক্রের মূলহোতা তিনি ।দলকে পূজি করে নিজের অপকর্ম করে যাচ্ছে খুব সহজে ।অনুসন্ধানে উঠে আছে তার সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য ।

নাজমুল হাসানের জন্ম নেত্রকোনা জেলায় সেখানেই তার বেড়ে উঠা এরপর উচ্চ মাধ্যমিকে তেজগাও কলেজে ভর্তি হন সেখান থেকেই তার রাজনৈতিক জীবনের উত্থান। রাজনীতির মাঠে কিংবা সামাজিক কর্মকান্ডে নিজেকে সবসময় সামনের সারিতে রাখতেই পছন্দ করেন তবে এই ভালো মানুষির আড়ালে এক ভয়ানক প্রতারকের এক রূপ রয়েছে এই নাজমুলের চরিত্রে। সফেদ রাজনীতির এই মানুষ আসলে একজন কয়েন চক্র প্রতারক। যার মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা । রাজনীতিক পরিচয় থাকার কারণে সাধারণ মানুষ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না ।

বাংলাদেশে এই চক্র স্বাধীনতার পর থেকে স্বক্রীয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে শুধুমাত্র কৌশল। সীমানা পিলার, ম্যাগনেটিক কয়েন এ লগ্নি করলে পাওয়া যাবে ব্যপক মুনাফা। সহজ সরল ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এই চক্রের লোভের ফাদে পা দিয়ে সর্বস্ব হারিয়েছেন।আর যে প্রতিবাদ করবে তাঁকে রাজনীতিক পাওয়ার দিয়ে গুম বা খুনের মতো কাজ করে থাকেন । তার সাথে কথা বললে তিনি বলেন , এগুলো আমার বিরুদ্ধে সব সাজানো । আমি এসবের কিছুই জানি না ।

নাজমুল বর্তমান ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় বসবাস করেন তিনি ডায়নামিকন গ্রুপের এম ডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তার এই কোম্পানির সিস্টার কনসার্ন হিসেবে রয়েছে আরো বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এছাড়াও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম তিনি তৈরি করছেন তার নামে ন্যারেটিভ তৈরির জন্য।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পির একজন ত্যাগী রাজনৈতিক হিসেবে পরিচিত।

নাজমুল ইসলাম কয়েন চক্রের একজন মূলহোতা এবং তার বেশকটি ছদ্মনাম রয়েছে, ডা কামাল, ডা সালেহীন, ডা আদনান সালেহীন নামে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা আত্নসাত করছেনে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে। সম্প্রিতি তার ডা কামাল নামটি ডি এম পির লিস্টেড হয়েছে।
ডা নাজমুল এবং তার অন্যতম সহযোগী মাজহারুল ইসলাম সোহেল একজন অন্যতম আওয়ামীলীগের দোষর এর দুইজন মিলে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা আত্নসাত করেন।
খাতুনগঞ্জ, কুলশীর দুই ব্যবসায়ী বন্ধু লোকমান, এবং কবির হোসেন এই চক্রের ফাদে পড়ে হারিয়েছেন কোটি টাকা, এছাড়াও কোস্টাল সী ফুডের হারুনুর রশিদ সাহেব, সি বি এম গ্রুপের জয়নাল আবেদিন, গ্লোব গ্রুপের হারুন সাহেব,এবং, মাধবপুর নরসিংদীর ব্যবসায়ী হাজী মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ সহ আরো অনেক অসহায় লোকের এই চক্রে টাকা হারিয়ে আজ পথের ফকির।
এই কয়েন চক্রের সক্রিয় কয়েকশ সদস্য বাংলাদেশে ক্রমাগত মানুষকে ফাদে ফেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
কতিপয় নাজমুল হাসান রা এসকল টাকা আত্নসাত করে বিভিন্ন গ্রুপ অফ কম্পানিজ এর মালিক।
নগদ অর্থ, সেবামূলক দ্রবাদি বিতরণের মাধ্যমে এরা বাংলার রবিনহুড হিসেবে মানুষের সামনে আত্নপ্রকাশ করে।
এধরনের চক্রকে দমন করতে হলে আইনের কঠিন দৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনা তৈরি করতে হবে। পাশা পাশি তার যে রাজনীতিক পরিচয় আছে সেটিকে আগে নির্মূল করতে হবে । অনেকে মনে করছে বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেই ক্ষমতার অপব্যবহার করে নাজমুল আরো ভয়ঙ্কর প্রতারণার পথ বেছে নেবে । তাই তাঁকে বহিষ্কার করে গ্রেফতার করানোর জোর দাবি করেন সচেতনমহল ।

এদিকে নাজমুলের বক্তব্যের জন্য তার সাথে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল নাম্বার বন্ধ ছিলো ।