
প্রকাশিত
সুমন ইসলাম, লালমনিরহাট
লালমনিরহাটে শিল্প-সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা ২০২৫-২৬ প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১০টায় জেলা সার্কিট হাউসের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের গুণী ব্যক্তিদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মুহাঃ রাশেদুল হক প্রধান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক রাসেল মিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আজিজুল হক মোল্লা।
অনুষ্ঠানে শিল্প-সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় অবদানের জন্য চিত্তরঞ্জন রায়, শ্রী শুকনাল, পীযূষ কুমার দাস, আব্দুস সালাম রানা, তৌহিদুল ইসলাম চঞ্চল, শিকিল শ্যাম রায়, মুকুল চন্দ্র দাস ও আতাউর রহমানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাঁদের মধ্যে কণ্ঠসংগীত, যন্ত্রসংগীত, নাট্যকলা, যাত্রাশিল্প ও লোকসংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, “শিল্প-সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মার ভাষা, সভ্যতার স্বাক্ষর এবং চেতনার চিরন্তন আলোকবর্তিকা। শিল্প-সংস্কৃতি মানুষের মননকে পরিশীলিত করে, সৌন্দর্যবোধকে বিকশিত করে এবং দেশপ্রেম, মানবিকতা, সম্প্রীতি ও সহনশীলতার মতো মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করে।”
তিনি বলেন, একটি জাতির পরিচয় ও ঐতিহ্যকে ধারণ এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে শিল্প-সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকাশের মাধ্যমে সমাজে মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হয়।
অনুষ্ঠানে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিল্পী, কলাকুশলী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সম্মাননা জেলার শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে অবদান রাখা গুণীজনদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক চর্চায় উৎসাহিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।



