
প্রকাশিত
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোট বাইশদিয়া ইউনিয়নে সিনিয়র-জুনিয়র বিষয়কে কেন্দ্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে পারভেজ খলিফা (২২) নামে এক যুবক আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে তিল্লা নামক গ্রামে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে।
এতে মো:হারুন খলিফার ছেলে পারভেজ খলিফা আহত হলে তাকে চিকিৎসার জন্য গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাক্তার মেজবাহ উদ্দিন বলেন, আহত পারভেজ খলিফা আমার চিকিৎসাধীনে তৃতীয় তলায় ৫ নম্বর বেডে ভতি আছে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলা জখমের কালো কালো দাগ আছে। আহত পারভেজের বাবা হারুন খলিফা বলেন, আমাদের একই বাড়ির তামিম খলিফার সাথে আমার ছেলের পারভেজ কথা কাটাকাটি হয়। পরে এ নিয়ে আমাদের পার্শ্ববর্তী গ্রামের মোশারেফ হাওলাদারের ছেলে মামুন হাওলাদারসহ আরও অনেকে আমার ছেলেকে বেধম মারধর করে। ওর ডাক চিৎকারে আমরা এসে পড়লে মারধরকারীরা পালিয়ে যায়। ওর অবস্থা আশঙ্কা জনক দেখে এলাকাবাসী উদ্ধর করে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি আরও বলেন, আমি রোগী নিয়ে গলাচিপা হাসপাতালে আছি। মামুনগং লোকজন নিয়ে আমার বাড়িতে ঢুকে ঘরবাড়ি পুরি দেবে, লুট করবে, গরু ও বাছুর নিয়ে যাবে,মিথ্যা মামলা করবে বলে আমাদেরকে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে। এ বিষয়ে আহত পারভেজের মা গোল চেহারা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে মারধর করে আমাকেও মারতে চায়। আমাদেরকে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে।
জীবন নাসের হুমকি দিচ্ছে মামুন হাওলাদার। আমরা বাঁচতে চাই প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি সঠিক বিচার যেন পাই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রতিপক্ষ মামুন হাওলাদার এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ইউপি সদস্য বাদল হাওলাদার ঘটনা সত্যতা স্বীকার করেন। ইউপি চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত পাশা প্যাদা বলেন,আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি দেখব। রাঙ্গাবালী থানার অভিসার ইনচার্জ ( ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে আহত পারভেজের মা গোল চেহারা বেগম বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানা অভিযোগ করেন।



