
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ময়মনসিংহ নগরীর হারুন টাওয়ার মার্কেটের পজিশন ক্রয় করা সাইম টেলিকম মোবাইল দোকানে ২০ জুন/২৫ তারিখে মোবাইলসহ সারে ৮৬ লক্ষ টাকার মালামাল লুন্ঠিত হয়। লুটের ঘটনায় দোকান মালিক বাদী আতিকুর রহমান খানের দায়েরকৃত অভিযোগে কোতোয়ালী থানার মামলা নং ৭৯(৬)২০২৫ রুজু হয়।
এ ঘটনায় প্রধান আসামী গোলাম আম্বিয়া হারুন, উচ্চ আদালতে জামিন পেলেও তার ম্যানেজার তাপস সাহাকে ৬ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়। ৮ জুলাই তার স্বীকারোক্তি মূলক তথ্যের ভিত্তিতে আবু রায়হান জহির ও সাব্বির দুজনের নামের সংশ্লিষ্টতা প্রকাশ পায়। ৯ অক্টোবর উক্ত আসামীদ্বয়ের মধ্যে আবু রায়হান জহিরকে গ্রেপ্তার করা হলে রিমান্ডে এসে তার দেওয়া তথ্যমতে ১৫ অক্টোবর ভোর রাতে আংশিক লুন্ঠিত মালামাল ফার্নিচার আনুসাঙ্গিক অনুমান ৫০ হাজার টাকার জিনিসপত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
এব্যাপারে ভূক্তভোগী বাদী আতিকুর রহমান জানান মাদকাসক্ত বহু কু-কর্মের হোতা বিবাদী হারুন তার ছেলেদের যোগসাজসে লুন্ঠিত মোবাইল ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী বিভিন্ন স্থানে হস্তান্তর করেছে। এর পরেও বর্তমান তদন্তকারী পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে পর্যায়ক্রমে আরো ৩/৪টি মোবাইল সেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তি, তদন্ত তৎপরতা অভিযান অব্যাহত আছে।
এছাড়াও শুক্রবার ভোর সকাল থেকে সন্ধ্যা রাত পর্যন্ত হারুনের রোমাঞ্চকর নারী ও মাদক নির্ভরযোগ্য প্রাপ্ত তথ্য সূত্র, ছবি, ফুটেজে এবং অডিও রেকর্ড পর্যালোচনা ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার আলোকে আসামি হারুন এর কুকর্মের সাথে অর্থের বিনিময়ে একাধিক নারী, পুরুষ সঙ্গীদের জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়া গেছে। নেশার সময় কাটানোর বিষয়টি সহ রাত্রিকালীন ইয়াবা, মদ, গাজাসহ বিভিন্ন
মাদক দ্রব্য সেবন করে কেউ চৈতন্য হাড়িয়ে ফেলে, আবার কেউ হৈচৈ শুরু করে, একে অপরের সাথে অশালীন আচরণে জড়িয়ে পরে। অসামাজিক কার্যকলাপে অভ্যস্ত হয়ে কুকর্ম করার বিষয়ে প্রকাশ্যে দন্তোউক্তি করে, এরা নিজেদের প্রভাবশালী হিসাবে আইনশৃঙ্খলার উর্ধ্বে ঘোষণা করতে বা মনে করতে থাকায় পরিবেশের বিঘ্ন ঘটে এবং নগরীর বিভিন্ন স্থানে নিন্দা ঘৃনার মোখরোচক আলোচনা শুরু হতে থাকে। প্রতিনিয়ত সামাজিক ঢড়-ভয় উপেক্ষা করে ব্যস্ত সময় কাটিয়ে ভোর সকালে তার অপকর্মের সাথীদের চলে যেতে দেখা যায় বলে অনেকেই নিশ্চিত করে। পাপের অনাচারের সিকে ঘোষ রোড বলে,”হারুন” তুই ভালো হবি কোন বয়সে!!



