গলাচিপায় বিবাহিত স্ত্রীর মালামাল নিয়ে উধাও ! একাধিকবার শালিশী হলেও হয়নি কোন সুরহা।


দেশ সময় প্রকাশের সময় : ২০২৬-০৪-০৭, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন /
গলাচিপায় বিবাহিত স্ত্রীর মালামাল নিয়ে উধাও ! একাধিকবার শালিশী হলেও হয়নি কোন সুরহা।
print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ঃ

পটুয়াখালীর গলাচিপায় বিবাহিত স্ত্রী মালামাল নিয়ে উধাও। একাধিকবার শালিশী হলেও হয়নি কোন সুরহা বিপাকে স্বামী।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাদনগর গ্রামের ০৫নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ হাওলাদার এর ছেলে কবির হাওলাদার এর সাথে।
ঘটনাসূত্রে ও কবির হাওলাদার জানান, পাশ্ববর্তী ০৬নং ওয়ার্ডের পক্ষিয়া গ্রামের জসিম শিকদার এর মেয়ে সুমি আক্তার এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিবাহের পরে কবির হাওলাদার সোনা-গয়না, টাকা-পয়সা স্ত্রী কে দেওয়ায় স্ত্রী সব কিছু নিয়ে পিতার বাড়ীতে চলে যায় পরে পিতার আশ্রয়ে সুমি আক্তার ঢাকাতে চলে যান। ঢাকায় গিয়ে তিনি সুখে গার্মেন্টস এর চাকুরী করেন। কবির হাওলাদার বিচারের আশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এ যেন মামা বাড়ীর আবদার। বিচারকরা তাকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘুড়াচ্ছেন। সঠিক বিচার না পেয়ে তিনি গলাচিপা থানায় একটি লিখিত দরখাস্ত করেন। গলাচিপা থানার এস.আই হাকিম দুই পক্ষকে ডেকে মিমাংসার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু দুই পক্ষের বিচারকের গাফেলতির কারনে সঠিক বিচার পাননি কবির হাওলাদার। এ বিষয়ে মেয়ের পিতা জসিম শিকদার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। অবশেষে কবির হাওলাদার সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় পটুয়াখালী আইন সহায়তা কেন্দ্রে ০৪ জনকে আসামী করে একটি মামরা করেন। আসামীরা হলেন ১। সুমি আক্তার ২। মোঃ জসিম শিকদার ০৩। খাদিজা বেগম ০৪। মোঃ শাকিল শিকদার। এ বিষয়ে কবির বলেন, আমি গরিব মানুষ। আমি সঠিক বিচার চাই। আমি আইনের মাধ্যমে এদের সঠিক বিচারসহ আমার মালামাল বুঝে পেতে চাই।