print news || Dailydeshsomoy

প্রকাশিত,৩১, অক্টোবর,২০২২

স্টাফ রিপোর্টার/এস,এম,মিঠু

সোমবার সকালে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি বিএনপির নেতাকর্মীদের হত্যা ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শহরের উপশহর মাঠে সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ উদ্দোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোন নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।

প্রয়োজনে বিএনপির নেতাকর্মীরা জীবন দিবে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী চিতল মাছ ধরে খাচ্ছেন, কিন্তু দেশের ৬৮ ভাগ মানুষ খাবার কিনতে পারছে না। অধিকাংশ মানুষ এখন একবেলা খাচ্ছেন।

পৌর বিএনপি’র আহবায়ক এমদাদুল হক আল মামুন এর সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় কেন্দ্রিয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর স্ত্রী ও জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য সাবিনা ইয়াছমিন ছবি বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা ও সমর্থক সহ দেশের মানুষ নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ভোট দিতে চায়।

তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে বিএনপি বদ্ধ পরিকর। প্রয়োজনে জীবন দিয়ে তত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হবে।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রহিম নেওয়াজ, সদস্য শহীদুল ইসলাম বাচ্চু, অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন টগর, রফিকুল ইসলাম মাষ্টার, জিল্লুর রহমান চৌধুরী বাবুল, ফয়সাল আলম আবুল ব্যাপারী প্রমূখ।

এদিকে এই সমাবেশকে ঘিরে সোমবার সকাল থেকে উত্তেজনা দেখা দেয়। জেলা বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন যানবাহনে করে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করে। কিন্তু ছাত্র ও যুবলীগের নেতা কর্মীরা পথে পথে গাড়ি থামিয়ে তল্লাশী সহ তাদের মারধর করে।

বেলা ১১ টার দিকে ছাত্র ও যুবলীগ নেতা কর্মীরা মিছিল নিয়ে সভাস্থল এলাকায় এলে উত্তেজনা দেখা দেয়। এসময় পুলিশ তাদের ফিরিয়ে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রহিম নেওয়াজ অভিযোগ করে বলেন, ছাত্র ও যুবলীগ কর্মীরা পথে পথে ইজি বাইক সহ বিভিন্ন গাড়ি থামিয়ে তল্লাশী সহ বিএনপির নেতা কর্মীদের মারপিট করেছে। বিএনপির প্রায় ৫০ নেতা কর্মী মারপিটের শিকার হয়েছেন।

জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান বিএনপির অভিযোগকে মিথ্যা , ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবী করে বলেন, সোমবার পুর্ব ঘোষনানুযায়ী জেলা ছাত্রলীগের একটি কর্মসুচী ছিল। বিএনপির নৈরাজ্য, সরকার পতনের ধুয়া তুলে তারা দেশব্যাপী যে তান্ডব শুরু করেছে তার প্রতিবাদে ছাত্রলীগ এই কর্মসুচী পালন করে। তারা সুষ্ঠভাবে কর্মসুচী পালন শেষে যার যার অবস্থানে ফিরে যায়।