
প্রকাশিত,১৫, আগস্ট,২০২১
উবায়দুল্লাহ খুলনা জেলা প্রতিনিধি ঃ
খুলনা প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। আজ রবিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবন, ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের বাসভবন ও হলসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সোয়া ৯টায় ক্যাম্পাসস্থ বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন। এরপর শিক্ষক সমিতি, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ), অফিসার্স এসোসিয়েশন, ফজলুল হক হল, লালন শাহ হল, খানজাহান আলী হল, ড. এম. এ. রশীদ হল, রোকেয়া হল, অমর একুশে হল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা সমিতি (আপগ্রেডেশন), কর্মচারী সমিতি (৩য় শ্রেণী), কর্মচারী সমিতি (৪র্থ শ্রেণী), গৌরব’ ৭১, খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকাল ১০ টায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে অনলাইনে কবিতা আবৃতি, প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “পনেরই আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কময় দিন। জাতির পিতা হত্যার বিচার হয়েছে, এখন প্রয়োজন এই জঘন্য হত্যাযজ্ঞের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করা”।
ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) প্রফেসর ড. ইসমাঈল সাইফুল্যাহর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. কে এম আজহারুল হাসান, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন প্রফেসর মোঃ গোলাম কাদের ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রকৌশলী মোঃ আনিছুর রহমান ভূঞা। জনসংযোগ ও তথ্য শাখার সহকারী পরিচালক মনোজ কুমার মজুমদারের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমাদ, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া, আরবান এন্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোস্তফা সারোয়ার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. কাজী এবিএম মহীউদ্দিন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. পিন্টু চন্দ্র শীল, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. সজল কুমার অধিকারী, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ, সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রুহুল আমিন, “খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ” প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী ড. জুলফিকার হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কুয়েট শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজান, কর্মকর্তা সমিতির (আপগ্রেডেশন) সভাপতি জি, এম, মনিরুজ্জামান, কর্মচারী সমিতির (৩য় শ্রেণী) সাধারণ সম্পাদক ইমরুল ইসলাম। আলোচনা সভার পূর্বে প্রবন্ধ পাঠ করেন পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. শিবেন্দ্র শেখর শিকদার এবং ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. পল্লব কুমার চৌধুরী। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে বঙ্গবন্ধুর রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ বই থেকে পাঠ করেন তারিক আনাম তন্ময়, শাপলা সাহা ও হিশাম-উজ-জামান এবং কবিতা আবৃতি করেন জয়িতা বিশ্বাস জুই, লামিয়া এনাম, সুপ্রভা হক ও অনুপমা দেবনাথ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ সংযুক্ত ছিলেন। বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।


