
প্রকাশিত,২৩, ডিসেম্বর,২০২২
চীফ ক্রাইম রিপোর্টারঃ
রাজধানীতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসেন, যারা মূলত সাময়িক কোন দরকার মেটানো, আইনী ঝামেলা বা বিদেশ পাড়ি দিতে আসেন। এসেই তারা আশ্রয়ের জন্য দ্বারস্থ হন আবাসিক হোটেলগুলোতে।কিন্তু এখানে মূলত সমস্যার শুরু। কারণ প্রায়ই এসব আবাসিক হোটেলে ঘটছে খুন, ধর্ষণসহ নানা অপরাধ। এর বাইরে দেহব্যবসা তো রয়েছেই।
জানা গেছে, রাজধানীর অধিকাংশ হোটেলে চলে দেহ ব্যবসা। কারণ রুম ভাড়া উসুল করতে হলে এ ব্যবসা রাখতেই হয়। আর যেসব হোটেলগুলোর মান নিম্ন তাদের চলেতে হয় এরই উপর নির্ভর করে। হোটেল ব্যবসার ক্ষেত্রে অধিকাংশ মালিক ডিএমপি’র নির্দেশিত নিয়মগুলো যথাযথ অনুসরণ করে না। এ সুযোগে এসব আবাসিক হোটেল দুর্বৃত্তদের নানা অপকর্ম সংঘটনের অভয়ারণ্য হয়ে উঠছে।রাজধানীতে আবাসিক হোটেলকেন্দ্রিক নানা অঘটন বেশ কয়েক বছর ধরে ঘটে আসছে। গত পাঁচ বছরে এসব আবাসিক হোটেলে অন্তত শতাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে চলতি বছরেই উদ্ধার করা হয়েছে ১৫টি লাশ।
এছাড়া অসামাজিক কার্যকলাপ, প্রতারণামূলক নানা কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও জুয়ার আসরসহ বিভিন্ন রকম অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ তো রয়েছেই।
এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের তদারকি কাজে উদাসীনতা, হোটেল মালিকদের গাফিলতি ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে বর্ডারদের অসচেতনতাও পরিস্থিতিকে নাজুক করে তুলছে।
জানা গেছে, কিছু কিছু আবাসিক হোটেলের মালিক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে বাড়তি লাভের আশায় হোটেল অভ্যন্তরে অসামাজিক কার্যকলাপ, প্রতারণামূলক নানা কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও জুয়ার আসরের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়,আঁখি ছদ্ম নাম টিটুর স্ত্রী পরিচয়ে যৌন পেশায় সবাই তাকে চিনে,আসল পরিচয় আফরোজা বাড়ী সোনারগাঁও লাদুরচর নোয়াগাঁও ইয়াবা সেবন ও ব্যবসা দুটোই করে থাকে দৈনন্দিন।
বিভিন্ন হোটেল, হাউজ বিল্ডিং, গুলশান,উত্তরা,সিলেট যাত্রাবাড়ী,টঙ্গী,গাবতলী,মিরপুর শ্যামলী,বগুড়া,নাটোর,নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ,গাজীপুর,কুমিল্লা,সিলেট কক্সবাজার,নোয়াখালী,হবিগঞ্জ বিভিন্ন হোটেলে ফ্লাট বাসায় অনৈতিক কাজ করে। এছাড়া আলী দালাল হোটেল গোল্ডেন শেওড়াপাড়ায় এবং সবুজ হোটেল হায়াত জনপথ মোর সায়েদাবাদ এরা এই মেয়েটিকে দিয়ে বিভিন্ন লোকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা পয়সা স্বর্ন ইত্যাদি ব্লাক মেইল করে থাকে। এই আঁখি ইয়াবাসহ কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়ে জেল খেটেছে। যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় এখনও ইয়াবা ব্যবসা একক নিয়ন্ত্রণে। ওদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আঁখির সাবেক স্বামী ইউসুফ ও একাজে জড়িত আছে বলে জানাযায়।
এসব হোটেলে ভাড়া রুম মেলে ৭০০ টাকা থেকে দুই হাজার টাকা। আর বিশ্বস্ত বা পরিচিত হলে ভাড়া কমে রাখা হয়। আর সেখানে মূলত স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা অভিসারে যান। রাজধানীর গাবতলী মিরপুর;শ্যমলী,এলাকার অধিকাংশ হোটেলে রমরমা দেহ ব্যবসা চলছে।রাজধানীর এসব হোটেলের বেশিরভাগের লাইসেন্স বা অনুমোদনও নেই। মগবাজারের একটি হোটেলের ব্যবস্থাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তার হোটেলের লাইসেন্স আছে কি-না এ ব্যাপারে তিনি অবগত নন। বিষয়টি মালিকের ওপর ছেড়ে দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, ''বেশিরভাগ আবাসিক হোটেলেই সিসিটিভি ক্যামেরা ও বর্ডারদের ছবি তুলে রাখার ব্যবস্থা নেই। এছাড়া নিয়মিত চাঁদা দিয়েই হোটেল ব্যবসা চালাতে হয়। তাই আর বাড়তি ঝামেলা করে লাভ কী। মূল বিষয় হলো থানা পুলিশকে ম্যানেজ করতে পারা। তাহলে আর সমস্যা নাই।
এসব বিষয়ে , প্রায় ছয় মাস আগে হোটেল মালিকদের ডেকে সভা করেছেন। বর্ডারদের নাম-পরিচয়ের তথ্য থানায় প্রতিদিন জমা দেয়া এবং সিসি ক্যামেরা লাগানোর বিষয়ে সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিদিনি রাত ১২টার মধ্যে আবাসিক হোটেলগুলোর বর্ডারদের নামের তালিকা পরিচয়সহ থানায় জমা দেয়ার বাধ্যতামূলক। কিন্তু এটি হোটেল মালিকরা মানছেন না।
এদের মধ্যে বর্তমানে আলী আঁখি স্বামী স্ত্রীর পরিচয়ে বসবাস করছে। এছাড়া যখন ধরা খায় তখন বলে তারা স্বামী স্ত্রী এদের সহোযোগি সবুজ,মামুন,ইমরান সহ অনেকই।