
প্রকাশিত,২০, অক্টোবর,২০২১
স্পোর্টস ডেস্ক ঃ
বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে হেরে যায় বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার ওমানের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে প্রথমে ব্যাট করে ১৫৩ রান করে টাইগাররা। সেই লক্ষ্যে তাড়া করতে নেমে নির্ধাতিত ২০ ওভারে ১২৭ রান করে তারা। ফলে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানকে ২৬ রানে হারিয়ে বিশকাপের মূলপর্বে খেলার আশা জিইয়ে রাখল টাইগাররা।
শেষ পর্যন্ত সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন বোলাররা এবং সব ভয় আর আতঙ্ককে পেছনে ফেলে বাংলাদেশকে এনে দিলেন ২৬ রানের অসাধারণ এক জয়। এই জয়ে বিশ্বকাপে টিকে থাকলো বাংলাদেশ।
সাইফউদ্দিন, সাকিব আল হাসান এবং শেখ মেহেদী হাসান বোলিংয়ে আসতেই দৃশ্যপট পুরোপুরি পাল্টে যায়। ওমানের হাত থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রন নিমিষেই নিয়ে নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
সমালোচকরা বলবেন আরে ৫০ বলে ৬৪ রান! স্ট্রাইকরেট ১৩০.৬১; এ আর এমন কী? তাও দু’বার জীবন পেয়ে। হ্যাঁ, এটা সত্য, আজকাল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ওপেনারদের যারা বড় ইনিংস খেলেন, তারা ১৭ ওভার পর্যন্ত ক্রিজে থাকলে নির্ঘাত- ১৪০ কিংবা তার বেশি স্ট্রাইকরেটে ব্যাট অন্তত ৭৫ থেকে ৮০ রানের ইনিংস খেলে ফেলতেন।
সমালোচকরা বলবেন আরে ৫০ বলে ৬৪ রান! স্ট্রাইকরেট ১৩০.৬১; এ আর এমন কী? তাও দু’বার জীবন পেয়ে। হ্যাঁ, এটা সত্য, আজকাল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ওপেনারদের যারা বড় ইনিংস খেলেন, তারা ১৭ ওভার পর্যন্ত ক্রিজে থাকলে নির্ঘাত- ১৪০ কিংবা তার বেশি স্ট্রাইকরেটে ব্যাট অন্তত ৭৫ থেকে ৮০ রানের ইনিংস খেলে ফেলতেন।
নাইম শেখ তা পারেননি; কিন্তু তারপরও তাকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। কারণ বাঁ-হাতি নাইম শেখের ওই ইনিংসটির ওপর ভর করেই শেষ পর্যন্ত দেড়শো পার হয়েছে (১৫৩) বাংলাদেশের।
তৃতীয় উইকেটে নাইম আর সাকিব ঠিক ৯ ওভারে ৮০ রানের বড় জুটি গড়েন। যাতে সাকিবের অবদান ছিল ৪২। ২৯ বলে ১৪৪.০০ স্ট্রাইকরেটে এ ইনিংসটি সাজানোর পথে সাবলীল খেলেছেন সাকিব। অ্যাপ্রোচও আক্রমণাত্মক ছিল। নিজের স্বর্ণ সময়ের সেরাটা উপহার দিতে না পারলেও সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটা সাকিবের স্বচ্ছন্দ ইনিংস।