প্রকাশিত,২৭, সেপ্টেম্বর,২০২১
মনির হোসেন শাওনঃ
করোনার এই মহামারীতে চাকরি হারিয়ে অধিকাংশই লোকজন রাইড শেয়ারিং করছেন রাজধানী ঢাকা শহর সহ চট্টগ্রামে। জীবীকার তাগিদে পাঠাও চালান সাখাওয়াত আলী(৪৬)।পাঠাও চালক সাখাওয়াত আলী (৪৬) মহামারিতে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
মোটরসাইকেল চালক সাখাওয়াত আলী বলেন 'আমি এখন কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।'
সোমবার সকালের দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, ওই মোটরসাইকেল চালক মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। এই প্রতিক্রিয়ায় তিনি নিজের মোটরসাইকেলে পেট্রোল ছড়িয়ে আগুন দেন। আশেপাশের লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে ওই চালক বাধা দেন।
বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে জানান, 'ওই ব্যক্তি রাজধানীর লিংক রোড এলাকায় ট্রাফিক আইন অমান্য করায়, দায়িত্বরত একজন ট্রাফিক সার্জেন্ট তার কাগজপত্র দেখতে চান। পরে তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন।'
তিনি বলেন, 'মোটরসাইকেল ও চালককে আমরা থানায় এনেছি। তাকে আটকের জন্য বা কোনো আইনি প্রক্রিয়ার জন্য থানায় নিয়ে আসিনি। তাকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করছি।
এই দিকে বিভিন্ন বাইকার কমিউনিটির সোসাল মিডিয়ার গ্রুপ গুলোতে তুমুল সমালোচনা চলছে।
তবে অধিকাংশ বাইকারদের দাবি সার্জেন্ট ও ট্রাফিক পুলিশরা অহেতুক ভাবে হয়রানি করেন।এবং বাইকরাদের কোনো ত্রুটি পেলেই মামলার ভয় দেখিয়ে ঘুষ দাবি করেন অনেকেই।
এদিকে ঘটনার পর পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেল ও শওকতকে বাড্ডা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
শওকত আলী বলেন, ‘গত সপ্তাহেও আমাকে একটা মামলা দেওয়া হয়েছিল।
আজ ট্রাফিক পুলিশ আবারও মামলা দিতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। রাগ করতে গিয়ে নিজের গাড়িই জ্বালিয়ে দিলাম। পুলিশের কোনো দোষ নেই।’