
প্রকাশিত,২৭, মার্চ,২০২৩
হাসান আহাম্মেদ সুজন, জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে জামালপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৬ মার্চ রোববার দুপুরে স্থানীয় শহরের সকাল বাজার বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করেন জামালপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন সমূহ।
জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আনিছুর রহমান বিপ্লবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহম্মেদ।
জেলা সংগ্রামী দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশিক রায়হান পারভেজের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য মোশারফ হোসেন খান, শহর যুবদলের আহবায়ক সফিকুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রানা ম্যানশন,শ্রমিকদল নেতা খালিদ হোসেন ফকির,৮নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহম্মেদ প্রমুখ।
এছাড়াও বিএনপি নেতা আব্দুর রশীদ, ইমামুর রশীদ স্বজল, চিকলী,আব্দুর সাত্তার, আব্দুর রহমান, শহর বিএনপি সাবেক প্রচার সম্পাদক শেখ ফরিদ মামুন, যুবদল নেতা গোলাম রাব্বানী জনি, বাবু চন্দ্র গোয়ালা, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোঃ ইমরান কাওছার , সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নয়ন সরকার, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোর্শেদ খান, ছাত্রদল নেতা সোহানুর রহমান সোহাগ, সাইফুল ইসলাম রবিন, সেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ রমজান সহ বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালে দিবাগত-রাতে পাক-হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের ঘুমন্ত ও নিরস্ত্র জনতার উপর বর্বরোচিত হামলা করে প্রায় ২৫ হাজার মানুষকে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পাকিস্তান কারাগারে। আওয়ামী নেতারা চলে যায় আত্নগোপনে বেছে নেয় নিজ নিজ নিরাপদ আশ্রয় স্থল। জাতি দিশেহারা, অসহায় ও হতো বাক। জনমনে প্রশ্ন এখন কি হবে? সেই সময় দিশেহারা দেশ ও জাতির পাশে দাড়িয়েছিল তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান। ২৬ মার্চ দিবাগত-রাত ২-টা১৫-মিনিটে নিজের জীবন দেশ ও জাতির কল্যাণে উৎসর্গঃ করে চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা করেন।
তাঁর ঐ ঘোষণার কারনে মুক্তিকামী, স্বাধীনতা কামী জনতা মনে হয় নতুন করে প্রাণ ফিরে
পায়।তিনি স্বাধীনতা ও মুক্তিকামী মানুষের পাশে থেকে সাহস ও উদ্দীপনা জুগিয়েছিলেন।স্বাধীকার আন্দোলনে আপামর জনতা মা মাটি ও মাতৃকার ডাকে সারা দিয়ে এগিয়ে আসেন। আর যারা যেখানে সেখানে জামাই আদরে পালিয়ে ছিল তারা মুক্তি যুদ্ধ নিয়ে এ-তো ঢাক ঢোল পিটাইয়া বেড়ান কেন?জাতি জানতে চায়। মেজর জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষনা দেন নাই যুদ্ধ করেছিলেন। তিনি রণাঙ্গনের মুক্তি যোদ্ধা। যুদ্ধ পরিচালনার জন্য এগারো টি সেক্টর গঠন করেন।
মেজর জিয়াউর রহমান প্রথমে ১নং সেক্টরে ও পরে ১১নং সেক্টর কমান্ডার হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে যুদ্ধ করেছিলেন। এছাড়া ও তিনি তার নিজ নামে জেড ফোর্স গঠন করেছিলেন।স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদানের কথা লেখে শেষ করা যাবে না। সত্যিকার দেশপ্রেমিক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি তাঁর দেশপ্রেম,মেধা,কর্মদক্ষতা ও যোগ্যতায় আমাদের বাংলাদেশের মা মাটি ও মানুষের মনের মণিকোঠায় আজীবনের জন্য নিজেকে স্থান করে নিয়েছেন।তাঁকেএবং তাঁর নিজ হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে কোন পড়া শক্তি হাজারো ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশের মানুষের মন থেকে মুছে দিতে পারবেনা। তিনি কোন সময় নিজেকে নিয়ে অথবা
নিজের পরিবার পরিজন নিয়ে ভাবেন
নাই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সফল রাষ্ট্র নায়ক।স্বাধীনতার ঘোষক, রণাঙ্গনের মুক্তি যোদ্ধা। বীরউত্তম খেতাপ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা তিনি।
তিনি এবং তাঁর দল সবসময় অসহায় ও দিশেহারা জাতির পাশে দাড়িয়ে আসছে।শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমাদের আদর্শ।দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেরনা। দেশনায়ক তারেক রহমান দিকনির্দেশক,তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবীও জানান নেতৃবৃন্দ
তারিখ -২৭-৩-২৩ইং