
প্রকাশিত,১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
তপন দাসনীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার সৈয়দপুর আদর্শ বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ এখন কমেনিটি সেন্টারে পরিণত হয়েছে
গতকাল রাত ১২ টার দিক সৈয়দপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি জনাব ,আলতাফ হোসেনের বড় ছেলে জনাব আতিফের বিয়ের বৌভাতের অনুষ্ঠানের জন্য এই বিদ্যালয় টিকে কমেনিটি সেন্টারে পরিণত করেন তিনি
প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে এই ডেকোরেশনের কাজ করেন ঢাকার সুনাম খ্যাত শাহাজাহান ডেকোরেশন এই বিয়ের অনুষ্ঠানে ৫০০০ হাজার আত্মীয়র আম্প্রায়ণ এর জন্য কাজ করেন প্রায় সাড়ে তিন শো কর্মী
তবে স্কুলের মধ্যে এই বৌভাতের আয়োজন করায় পুরোসৈয়দপুর জুড়ে চলছে সুশীল সমাজের মধ্যে গুঙ্জণ
কারন এই আদর্শ বালিকা স্কুল এন্ড কলেজকে কমিউনিটি সেন্টারে রুপন্তারিত করায়
আর সবার মনে কল্পনা ও কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে কারন সৈয়দপুর শহরে এর চেয়েও বড় মাঠ থাকার পরও এই স্কুলকে কেন তারা কমিউনিটি সেন্টার বানালো
এবিষয়ে শিল্পপতি আলতাফ হোসেন সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি তো জোর করে এখানে আয়োজন করিনি আমি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ও ম্যানেজিং কমিটির অনুমতি নিয়ে সেখানে এই আয়োজন করেছি
এদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহসান হাবিবের সাথে এবিষয়ে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন শিল্পপতি আলতাফ হোসেন তার ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য তিনি বিদ্যালয়ের মাঠ ব্যবহার করতে চাইলে আমি ও ম্যানেজিং কমিটি তাকে মৌখিক ভাবে অনুমতি প্রদান করি তাছাড়া আমি আর কিছু জানি না
তাছাড়া ও সৈয়দপুর শহরের কয়েকজন বিশিষ্ট লোকের সাথে কথা হলে তাড়া বলেন বিদ্যালয়টিকে বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি দিয়ে তিনি ( আহসান হাবিব) বড় ভুল কাজটি করেছে কারন বিদ্যালয়টির শুধু মাঠ নয় বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ফুলের বাগান সহ পুরো বিদ্যালয়ের খতি হবে আবার কেউ কেউ বলেন বিদ্যালয়ের প্রধাণ শিক্ষক আহসান হাবিব অনুষ্ঠান করার অনুমতি দিয় লাখ হাতিয়ে নিয়েছে এদিকে সৈয়দপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র জিয়াউল হক জিয়া কে প্রশ্ন করা হলে তিনি একউ কথা বলেন , সৈয়দপুর উপজেলার মাধ্যমিক ও উচচ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রেহেনা ইয়াসমিনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি , আর সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা নাদিম আহমেদ বলেন আমি বিষয়টি আংশিক শুনেছি তবে পুরো বিষয়টি এখনো আমি জানি না
এদিকে
এবিষয়ে নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাফিজুর চৌধুরীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমি বিষয়টি জানার পর সৈয়দপুর উপজেলার নির্বাহি কর্মকর্তাকে অবহিত করি যাতে বিদ্যালয়ের কোন খতি না হয় আর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এর অনুমতি দিয়ে বড় জঘন্য কাজ করছে