
প্রকাশিত,১৯, মার্চ,২০২৩
আজাদ নাদভী, স্টাফ রিপোর্টারঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন আজ। সম্মেলন সফল করতে জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আল মাহমুদ বাবু ও সাধারণ সম্পাদক শেখ তাজুল ইসলাম পিন্টু স্বাক্ষরিত একটি কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গত ১৮ই মার্চ কামাল হোসেন লালকে আহ্বায়ক ও শামীম চৌধুরী চঞ্চল কে সদস্য সচিব করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি দেয়া হয় যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায় জৈনসার ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইউনুছ চাকলাদারের ছেলে রাসেল চাকলাদার কে ৪২ নং সদস্য পদ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কর্মীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে জৈনসার ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিজান মোল্লা বলেন, আমরা রাসেলের বিষয়ে কেন্দ্রীয় দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম মাহবুবুল হাসান মাহবুব ভাই সহ জেলার নেতৃ বৃন্দ কে জানানোর পরেও কোন ব্যাবস্থা নেয় নি। গতকাল (১৮ই মার্চ) আমি এ কমিটি দেখার পর জেলার সভাপতি আল মাহমুদ বাবু ভাইকে জানিয়েছি। তারা বিষয়টি দেখবেন বলেছেন। রাসেলকে সম্মেলনের প্রস্তুতি কমিটির সদস্য করায় এলাকায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ মনোভাব বিরাজ করছে।
এবিসয়ে রাসেল চাকলাদার বলেন, আমার বাবার এখন কোন রাজনৈতিক একটিভিটি নেই। তাকে না জানিয়েই বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে নাম দিয়ে দিয়েছে। সে জানার পরই পদত্যাগ করেছে। ১০-১৫ বছর আগে সে বিএনপির জৈনসার ৯নং ওয়ার্ড প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলো সেটা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। তবে এখন সে আর কোন রাজনীতি করে না।
এ বিষয়ে জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আল মাহমুদ বাবু বলেন, আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। আমি এই ঘটনা টি অবগত হওয়ার পর রাসেল চাকলাদার কে কমিটি থেকে বাদ দিতে বলেছি। সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারাও আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে। আমি এই বিষয়টি মুন্সিগঞ্জের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা মাহবুব ভাই কে জানিয়েছি। আজকে সিরাজদিখানে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। যারা ছিলো তাদেরও ফোন দিয়ে বলেছি। সেখানে যারা ছিলো তাদের জিজ্ঞেস করেন কেন এখনো তাকে কমিটি তে রাখা হয়েছে।
আজাদ নাদভী
১৯-০৩-২৩