
প্রকাশিত
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৬ নং সর্বানন্দ ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থী ও দলীয় মনোনয়ন নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা-সমালোচনা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পর্যায়ক্রমে তাদের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার ৬ নং সর্বানন্দ ইউনিয়নে দলটি জনপ্রিয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ জহুরুল ইসলামকে মনোনয়ন না দিয়ে হঠাৎ করে অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেনের নাম ঘোষণা করে।
দলীয় এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই পুরো ইউনিয়নজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সাধারণ জনগণ, রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক এবং ভোটারদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে জহুরুল ইসলামের সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের একটি বড় অংশ তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
তাদের দাবি, দলীয় মনোনয়ন না পেলেও বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ জহুরুল ইসলামকে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান তারা। অনেকেই মনে করছেন, তিনি যদি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে ইউনিয়নের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার তার পক্ষেই সমর্থন দেবেন।
অন্যদিকে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেনের পক্ষেও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হলেও কিছু ভোটার তার প্রার্থিতা প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে নির্বাচন ঘিরে সর্বানন্দ ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।
সব মিলিয়ে, এবারের নির্বাচন সর্বানন্দ ইউনিয়নে এক ব্যতিক্রমধর্মী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে যাচ্ছে, যেখানে প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থনই হয়ে উঠবে মূল নির্ধারধ। এনিয়ে সর্বানন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলামের কথা হলে তিনি জানান যেহেতু আমি চেয়ারম্যান আছি,জনগন আমার সাথে থাকলে আগামী নির্বাচনেও আমি নির্বাচন করবো ইনশাআল্লাহ।