
প্রকাশিত,১৬, নভেম্বর,২০২১
হৃদয় হোসাইন,(পাবনা প্রতিনিধিঃ
আসন্ন ২৮ তারিখ পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমরা ইউনিয়ের নির্বাচন।চলছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা ও সমর্থন আদায়।সোমবার ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় সোনাতলা বাজারে নৌকা সমর্থক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাফিজ এর সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ হয়।
।্নৌকা প্রার্থী হারুন হাড়িয়া গণসংযোগ শেষে সোনাতলা বাজারে আনারস মার্কার নিবার্চনী অফিস ভাংচুর করে পোস্টার ছিড়ে চেয়ার-টেবিল নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।হারুন উপস্থিত থেকে দলবল সাথে নিয়ে হাফিজ সমথর্কদের বাড়ী-ঘর,দোকান ভাংচুর করেছে।
এসময় হাফিজ সমর্থক সোনাতলা মধ্যে পাড়া আব্দুল বারেক,জলিল শাহ,ইউসুফ,সবুজ মিয়া,মোক্তার শাহ,আওয়াল,জানু,আমানত শাহ,রতন,জাহাঙ্গীর,সহ অনেক এর বাড়িতে হামলা করে।এসময় উভয় পক্ষের ২০ জন আহত।আহতদের এলাকাবাসী বাসী উদ্ধার করে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করে।আহত’রা হলেন, শহিদুল,মকুল, রাজু,আমিরুল,শান্ত,তানসেল,রবিউল,সহ আরো অনেকে।হামলার শিকার গৃহীনী রিনা খাতুন অভিযোগ করে বলেন,প্রথমে হামলা করে আমার শ্বশুরের দোকান হামলা করার সাথে সাথে বাড়ি-ঘরে হামলা করে।
ঘরে আমার ছোট ছেলে শুয়ে ছিলো আমিও তাড়াহুড়া করে ছেলে কে নিয়ে দৌড়ে পালাই।আমার শ্বশুর জানের ভয়ে আরেক দিক দিয়ে পালায়।সকলের সামনে রাম দা , ফালা নিয়ে হারুন চেয়ারম্যান,বাহাদুর,দায়েন নিজে উপস্থিত থেকে এ হামলা চালায়।আমরা ঘটনার বিচার চাই।আমরা নিরীহ মানুষ আমাদের উপর এমন অত্যাচার কেন।এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।
ভয়-ভীতিতে জীবন যাপন করছেন সাধারণ মানুষ।নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাজারের দোকানদার ব্যাবসায়ীরা।মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাঁথিয়া থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তা আসিফ মুহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম বলেন খবর পাওয়ার সাথে সাথে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়।পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।রাতভর সেখানে অবস্থান করে।দুই গুরুপ এরই মামলা প্রক্রিয়াধীন।
হৃদয় হোসাইন
পাবনা