
প্রকাশিত,০৮-১২-২০২৯
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ
মাটি ও বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের অধিনে থাকায় দ্রুতই ভেঙ্গে যাচ্ছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার সংযোগ সড়কগুলো। এবং সৃষ্টি হচ্ছে বড় বড় গর্তে প্রায় সময় ঘটছে দূর্ঘটনা। এতে করে যেমন সরকারি রাজস্বের ক্ষতি হচ্ছে তেমনি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাইওয়ে রোডে নিষিদ্ধ থাকা যানবাহন চালক এবং সাধারণ জনগনের। স্থানীয় লোকজনের তথ্যসুত্রে যানা যায়,গ্রাম অঞ্চলের ছোট ছোট রাস্তা দিয়ে অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীরা দিন-রাত ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি বহন করছে।
এসব ব্যবসায়ীদের কারণে দ্রুত ভেঙ্গে যাচ্ছে রাস্তাগুলো। তাছাড়া ছোট ছোট রাস্তাগুলো দিয়ে ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তায় দীর্ঘ সময়ের জন্য যানযটের সৃষ্টি হয়। এলাকার অনেকেই বিভিন্ন কলকারখানায় কর্মরত থাকায় তারা এই যানজটের কারনে সঠিক সময় কাজে যোগদান করতে পারেনা। এলাকাবাসী ড্রাম ট্রাক চলাচল নিষেধ করলে,এলাকার প্রভাবশালী মাটি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের হুমকী দিয়ে থাকে। যার জন্য এলাকার অনেকেই তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে চায়না।
সরেজমিনে গিয়ে অটো-রিক্সাচালক, ভ্যান চালক, সিএনজি চালকেরা বলেন, হাইওয়ে রোডে তিনচাকার গাড়ী নিষেধ থাকায় আমরা জিবিকা নির্বাহের জন্য সংযোগ সড়কগুলোতে চলাচল করি। সারাদিন গাড়ী চালানোর পর আমরা গাড়ীর মালিক ও গ্যাস বিল দিয়ে দুই-তিনশ টাকা থাকে। এতে করে কোন রকম সংসার চলে। কিন্তু ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে আমরা ঠিকমত গাড়ী চালাতে পারিনা। রাস্তাগুলো প্রসস্ত না থাকায় ড্রাম ট্রাক চলাচল করলে দীর্ঘক্ষনের জন্য যানযটে পরে থাকতে হয়। তাছাড়া ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তার কোন কোন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে পরে সিএনজি, অটো-রিক্সা, মোটরসাইকেলগুলো প্রায় সময় দুর্ঘটনা ঘটে। এলাবাসী ড্রাম ট্রাকগুলোকে মরণব্যাধি যানবাহন হিসেবে আক্ষা দিয়ে এবং এইসব ড্রাম ট্রাক বন্ধের দাবি যানিয়েছে।
শ্রীপুরের প্রায় সকল সংযোগ রাস্তাগুলো ড্রাকের দখলে। যে সকল সংযোগ সড়ক গুলো ড্রাম ট্রাকের দখলে, কাওরাই টু জৈনা বাজার, পারুলদিয়া টু জৈনা ববাজার, বরমী টু কাওরাইদ, বরমী টু গোসিংগা, নয়নপুর টু বরমী, শিশুপল্লি টু এমসি বাজারসহ উপজেলার প্রায় সবগুলো সংযোগ সড়ক গুলোই ড্রাম ট্রাকের অধিনে।
এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশল (এলজিইডি) কর্মকর্তা মাসুদ জানান,এবিষয়টি আমরা আমাদের মাসিক মিটিং এ একাধিকবার উপস্থাপন করেছি। কিন্তু কোনভাবেই ড্রাম ট্রাক চলাচল বন্ধ করা যাচ্ছে না। দিনে প্রশাসনের নজরদারী থাকায় মাটি ব্যবসায়ীরা কৌশলে রাতের আধারে ড্রাম ট্রাকদিয়ে মাটি বহন করছে। এসব ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারনে উপজেলার সংযোগ সড়ক গুলো খনাখন্দ হয়ে যাচ্ছে। তবে বিষয় গুলো শ্রীপুর থানার (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন এর সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে,