প্রকাশিত,২০ এপ্রিল ২০২১
ময়মনসিংহ জেলাঃ বিশেষ প্রতিবেদন ঃ
শিল্প কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত পানিতে হচ্ছে পরিবেশ দুষণ দেখার জন্য নেই পরিবেশ অধিদপ্তর। ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা এখন বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকায় পরিনত।
ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিল্প কারখানার এখন ভালুকায় আর পরিবেশ দুষণ সর্বোচ্চ মাত্রাও এখন ভালুকা।
শিল্প কারখানার কেমিক্যাল মিশ্রিত ডাইয়িং এর পানির সাথে কেমিক্যালের গন্ধে প্রতিনিয়তই শিল্প কারখানার শ্রমিক ও তার পার্শ ভর্তী এলাকার মানুষ হচ্ছে অসুস্থ।
ডাইয়িং কেমিক্যাল মিশ্রিত পানির বাজে গন্ধে শ্রমিকরা আকান্ত হচ্ছে শাস কষ্ট জনিত রোগে আর সেখানে তখন তাদের আরো একটি নতুন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে শাস কষ্ট এটি করোনার একটি লক্ষ্মণ।
নিয়ম মাফিক বাথরুম'য়ের ময়লা কিংবা ও ড্রেনের ময়লা পরিষ্কার না করাই ড্রেন বন্ধ হয়ে ড্রেন ফেটে এখন ময়লা বাহিরে বেরিয়ে আসছে প্রতিনিয়তই।
মহামারী করোনার আকান্তর হার যেখানে বাংলাদেশে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে সর্বোচ্চ রেকর্ড সেখানে সঠিক ভাবে মাপা হচ্ছে না শরিরের তাপমাত্রা।
নিরাপদ দুরত্বা বজায় রেখে চলার কথা তো প্রশ্নই উঠেনা।
সিকিউরিটি হাতে তাপমাত্রা মাপার মেশিন তারা শুধু ছবি তুলার জন্য একবার কিংবা তার অধিক লাইনে শ্রমিকদের কে দার করিয়ে ছবি তুলে থাকে।
তাপমাত্রা নির্ণয় এর মেশিন বেশ কিছো স্থানে নষ্ট।
যেখানে সরকার সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সাথে গার্মেন্টস কর্মি দের কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন সেখানে গার্মেন্টস।
সম্পুর্ণ নিরাপত্তা হীন হয়ে কাজ করতে হচ্ছে আর শ্রমিক দের স্টাফ গাড়ির তো
প্রশ্নই উঠেনা।
ওয়েস্টেজ এরিয়াতে ক্ষতিকার বর্জ সংরক্ষণ করার সময়'উ থাকছে না কারো হাতে হেন্ড গ্লাবস,
কেমিক্যাল রাখার স্টোরে কর্মকর্তারা ডুকার সময় লাগেনা সাংলাস, বুড গাম, হেন্ড গ্লাবস, সহ কোন নিরাপদ প্রয়োজনিয় সামগ্রির প্রয়োজন পরছেনা।
জীবাণু নাশক ট্যানেল কিছো কিছো জাইগাই নেই আর হাত ধুয়ার জন্য জীবাণু নাশক এর ব্যবহার যেখানে প্রয়োজন ১/লিটার সেখানে মিলছে ১০০/গ্রাম এতে করে আরো অন্যের হাতের জীবাণু নিজের হাতে নিচ্ছে।
এইসব বিষয়ে সাধারণ শ্রমিকদের সরকারের কাছে দাবী তাদের কে যেনো করোনা মহামারী পরিস্থিতি অন্তত পক্ষে সঠিক নিরাপত্তা প্রধান করা হয়।
তারা সরকার মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ জন্য কঠোর দাবী জানাচ্ছেন